বনবিভাগ ম্যানেজ উখিয়ায় বনবিভাগের জায়গায় নির্মান হচ্ছে স্থাপনা

unnamed-4-6.jpg

নিজস্ব প্রতিনিধি, উখিয়া |
উখিয়া উপজেলার সর্বত্র বনবিভাগের জায়গায় প্রভাবশালী মহলের স্থাপনা নির্মানের প্রতিযোগিতা চলছে।প্রায় প্রতিটি ইউনিয়য়ে এ প্রবনতা অত্যাধিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।মাঝেমধ্যে বনবিভাগের দায়সারা লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা হলেও পরে আবার বনবিভাগকে ম্যানেজের মাধ্যমেই চলছে স্থাপনা নির্মান।অভিযানটা বনবিভাগ কৌশলে অর্থ হারিয়ে নেওয়ার হাতিয়ার হিসেবেই ব্যবহার করছে।
সরজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে,উখিয়া রেঞ্জের আওতাধীন সদর বনবিটের অধীনে সংরক্ষিত বিশাল বনাঞ্চল সংঘবদ্ধ প্রভাবশালী ইয়াবা ও মানব পাচারকারী সিন্ডিকেট ও ভূমিদস্যরা দখল করে নিয়েছে।কিছু কিছু এলাকায় প্রকাশ্যে বনবিভাগের জায়গায় ঘেরা দিয়ে প্লট তৈরী করে বনবিভাগের জায়গা প্লট আকারে বিত্রিু করছে প্রভাবশালী মহল।এতে বাদ যাচ্ছে সামাজিক বনায়নের বাগানগুলো পর্যন্ত। গুটিকয়েক বিট অফিসার ও ভিলেজার সরকারী সুযোগ সুবিধা ভোগ করে বনবিভাগ পাহারা দেওয়ার পরবর্তে মাসিক চুক্তিতে প্রভাবশালী মহলের ঘেরা দেখা প্লটগুলো পাহারা দিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে সদর ও ওয়ালা বিটে এ প্রবনতাটা একটু বেশী। সদর বিটের মাছকারিয়া সংলগ্ন মোঃ আলীর ভিটা নামক স্থানে এলাকার জাফর আলমের ছেলে নজির আহামদ সরকারী বনবিভাগের জায়গায় প্রকাশ্যে বিশাল পাকা বাড়ী নির্মান করছে।উখিয়া বাজারের ক্ষুদ্র মাছ ব্যবসায়ী নজির আহামদ ইয়াবা বানিজ্যের মাধ্যমে হঠাৎ কোটিপতির খাতায় নাম লিখিয়েছে। স্থানীয় দু একজন প্রভাবশালীকে ম্যানেজের মাধ্যমে বনভিাগের বিশাল জায়গায় নির্মান করছে বহুতল ভবন।স্থানীয় বনবিভাগ প্রথমদিকে বনবিভাগের জায়গায় বহুতল ভবন নির্মানে বাধ সাধলেও পরে বনবিভাগকে ম্যানেজের মাধ্যমে চলছে নজির আহামদের বাড়ী নির্মান। সম্প্রতি নজির াাহামদ ঢাকামেট্রো-চ-৫১-৭৭৩১ নাম্বারের একটি ভক্সি গাড়ী কিনেছেন। তার ছেলে ব্যবহার করছে দুইটি দামি মোটর সাইকেল, এখন তিনি আর মাছ ব্যবসা করছে না। খবর নিয়ে জানা গেছে নজির আহামদের মেয়ে জামাই টেকনাফের হ্নীলার ইমরান স্বরাষ্টমন্ত্রনালয়ের তালিকায় ২৫ নাম্বার স্থানে থাকা একজন চিন্থিত ইয়াবা গড়ফাদার। এক সময়ের কাঠমিস্ত্রি ইমরানের বিরুদ্ধে টেকনাফ সহ দেশের বিবিন্নস্থানে একাধিক মামলাও রয়েছে।এলাকায় প্রচার রয়েছে,মেয়ে জামাই ইমরানের সাথে উখিয়া ভিক্তিক ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে মাছ ব্যবসায়ী নজির আহামদ কোটিপতির খাতায় নাম লিখিয়েছে।স্থানীয় সচেতন মহলের মতে,বন বিভাগকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে প্রকাশ্যে সরকারি জায়গার উপর অবৈধ স্থাপনা বা বহুতল দালান নির্মাণ করেছেন তিনি।তাছাড়া দুইজন স্থানীয় প্রভাবশালী বনবিভাগের জায়গায় নজির আহামের দালান নির্মান তদারকি করছেন বলে জানান স্থানীয়রা। মোঃ আলী ভিটায় বনবিভাগের জায়গায় দালান নির্মানের ব্যাপারে জানতে চাইলে উখিয়া সদর বিটের অতিরিক্ত দ্বায়িত্বে থাকা বিট কর্মকর্তা আবদুল মান্নান জানান,তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন,নজির আহামদকে দালান নির্মান বন্ধ রাখার জন্য বলা হয়েছে,কিন্ত তবুও সে মানছেনা এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উখিয়া বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, নজির আহামদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দেওয়া হয়েছে।কিন্ত স্থানীয় প্রসাশনের সহযোগিতা না পাওয়ায় উচ্ছেদ করা যাচ্ছেনা।এ বিষয়ে কক্সবাজার দক্ষিণ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আলী কবিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বনবিভাগের সদস্যদের কোন গাফিলতি থাকলে বা দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে যথযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।