মহাপরিকল্পনায় সাফারি পার্কের উন্নয়ন হবে

unnamed-1-7.jpg

চকরিয়া ডুলাহাজারাস্থ বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক পরিদর্শনে গাছের চারা রোপন করেন বন ও পরিবেশ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপি।

চকরিয়ায় বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক পরিদর্শনকালে বন ও পরিবেশ মন্ত্রী
এম.জিয়াবুল হক, চকরিয়া |
১৯৯৯সালে গড়ে তোলা কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারাস্থ দেশের প্রথম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্ক পরিদর্শন করেছেন জাতীয় পাটির জেপির চেয়ারম্যান বন ও পরিবেশ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপি। এসময় তিনি বলেছেন, বর্তমান মহাজোট সরকার একটি উন্নয়ন বান্ধব সরকার। এ সরকার পর্যটন শিল্পের বিকাশে ইতোমধ্যে নানামুখী প্রদক্ষেপ নিয়েছে। পাশাপাশি দেশ-বিদেশী পর্যটকদের মাঝে আরো বেশি আকর্ষন বাড়াতে জীববৈচিত্র সংরক্ষন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের আধুনিকায়নে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি বলেন, উন্নয়ন মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হলে ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক হবে বিশ্বের মাঝে পর্যটন শিল্পের একটি মডেল।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে তিনি সাফারি পার্ক পরিদর্শন শেষে পার্কের বিশ্রামাগারে অনুষ্টিত মতবিনিময় সভায় একথা বলেন। এরআগে বন ও পরিবেশ মন্ত্রী পার্কে পৌঁছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যে পুস্পমাল্য অর্পন করেন। পরে তিনি পার্কের সামনে দুটি গাছের চারা রোপন করেন। পরিদর্শন শেষে পার্কের সার্বিক পরিস্থিতি দেখে সস্তোষ প্রকাশ করেন বন ও পরিবেশ মন্ত্রী।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের বনসংরক্ষক মো.আবদুল লতিফ মিয়া, বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষন বিভাগ চট্টগ্রামের বিভাগীয় বনকর্মকর্তা এসএম গোলাম মাওলা, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম, সহকারি বনসংরক্ষক জাহাংগীর আলম, চকরিয়া থানার ওসি জহিরুল ইসলাম খান, ওসি তদন্ত মো.কামরুল আজম, ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম, ডুলাহাজারা ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, পার্কের বনবিট কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা জেপির নেতা সোহরাব হোসেন চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুব সংহতির সহ-সভাপতি সাংবাদিক আরমান চৌধুরী।