পেকুয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় মহিলাসহ আহত-২, ভাংচুর

-1.jpg

এস.এম.ছগির আহমদ আজগরী;পেকুয়া ::
পেকুয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় মহিলাসহ ২জন গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। ঘটনার জের ধরে এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে দু’দফা সংঘর্ষ হয়েছে উভয় পক্ষের মধ্যে। এ সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়াকে কেন্দ্র করে এলাকায় ভীতি সৃষ্টি হয়। এ সময় প্রতিপক্ষের উত্তেজিত লোকজন বাড়ি ভাংচুরসহ ব্যাপক তান্ডব চালায়। পেকুয়া থানা পুলিশ দু’দফা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শুক্রবার (২১অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে ও দুপুর ১১টার দিকে উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের বুধামাঝির ঘোনা এলাকায়। আহতরা হলেন বুধামাঝিরঘোনা এলাকার মৃত.ফজল করিমের ছেলে মোবারেক আলী ও নবীর হোসেনের স্ত্রী নুরুজ্জাহান বেগম (৪০)।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় ২০শতক জায়গা নিয়ে বুধামাঝিরঘোনা এলাকার মৃত.আব্দু রশিদের ছেলে সেকান্দার ও বারবাকিয়া ইসলামীয়া ফাযিল মাদ্রাসার শিক্ষক বারাইয়াকাটা এলাকার মৌলভী মোস্তাক আহমদের সাথে বিরোধ চলছিল। এ বিষয়ে আদালতে মামলা চলমান আছে। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু তদন্ত ভার ন্যস্ত থাকায় উভয় পক্ষকে নোটিশ জারি করেন। জায়গার পরিধি নির্ধারনের জন্য সার্ভেয়ার চুড়ান্ত করা হয়। জায়গা ভোগ দখলে আছে সেকান্দারের অনুকুলে। ঘটনার দিন সকালে মৌলভী মোস্তাক আহমদ ওই জায়গা জোর করে দখলের জন্য পাশ্ববর্তী রাবারড্যাম এলাকার আবু তাহের, আবুল হাসেম, মানিক, জুবাইদুল, বশির আহমদ, শওকত, আমিনুল হক, বকতিয়ার, আজিজুল হক সহ ১৫-২০জনের ভাড়াটে লোকজনকে জড়ো করে। এ সময় তারা স্বসস্ত্র অবস্থায় ওই জায়গাতে মাটি ভরাট কাজ শুরু করে। এ সময় জায়গার জায়গার ভোগ দখলদার সেকান্দার বাধা দেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে ভাড়াটে লোকজন মোবারেক আলী ও নুরুজ্জাহানকে নির্দয় পিটিয়ে মারাত্বক আহত করে। এক পর্যায়ে উত্তেজিত লোকজন মোবারেক আলীর ছেলে জামাল হোসেনের বাড়িতে হানা দেয়। এ সময় বাড়ি ভাংচুরসহ ব্যাপক তান্ডব চালায়। এ ব্যাপারে সেকান্দর জানায় তারা দু’দফা হামলা চালিয়েছে আমাদের উপর। মোস্তাক আহমদ ভাড়াটে লোকজন জড়ো করে বসতভিটা থেকে আমাদের উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছে। তারা হামলা বাড়ি ভাংচুরসহ তান্ডব চালায়। জামাল হোসেন জানায় আমার বাড়ি ভাংচুর করা হয়েছে। নলকুপ উপড়ে ফেলানো হয়েছে। আমি সেকান্দারের কাছ থেকে কিছু জায়গা খরিদ করি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা আমার বৃদ্ধ পিতাকে পিটিয়ে আহত করে। স্থানীয়রা জানায় মোস্তাকের লোকজন বাড়ি থেকে মালামাল ও গবাদি পশু নিয়ে যাচ্ছে। প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে নিজেরা তাদের মালামাল সরিয়ে ফেলছেন। তারা আরো জানায় ঘটনা হয়েছে বুধামাঝিঘোনা এলাকার দু’পক্ষের মধ্যে। কিন্তু প্রায় এক কি.মিটার দুরবর্তী পুর্ব জালিয়াকাটা এলাকার লোকজনকে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত করার পাঁয়তারা করছে মোস্তাক আহমদ গং। পেকুয়া থানার এসআই সরোজ আর্চায্য জানায় আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। কেউ এখনো অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।