হোয়াইক্যংয়ে এক জেলে পরিবারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ

Hoirani.jpg

জিয়াউল হক জিয়া, টেকনাফ |
টেকনাফে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের এক অসাধু মহিলা কতৃক মিথ্যা মামলা দিয়ে মাছ ব্যাবসায়ীকে হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইতি পুর্বেও উক্ত মহিলা হোয়াইক্যংয়ে বিভিন্ন পেশার একাধিক ব্যক্তিকে হয়রানি করারও অভিযোগ রয়েছে।
জানা যায়,হোয়াইক্যংয়ের ২নং ওয়ার্ডের আন্দরি ছড়া এলাকার জনৈক শামসু আলমের দুই স্ত্রীর মধ্যে ২য় স্ত্রী মমতাজ বেগম কে পারিবারিক কলহের জেরে ব্যাপক মারধর করে।ঘটনার দিন ১৩/ ০২/১৬ স্বামীর প্রহারের পর আনুমানিক ৩ ঘটিকার সময় মমতাজ বেগমের প্রতিবেশি আব্দু শুক্কুরের পুত্র আলী আজগর নামক এক জেলের বাড়ির ঘেরার ভিতর থাকা বেশ কয়েকটি গাছ ও বাঁশ জোর করে কেটে নিয়ে যায়।উক্ত গাছ কাটা নিয়ে আলী আজগর ও মমতাজ বেগম এর সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে মমতাজ বেগম আলী আজগর কে নারী নির্যাতন,ডাকাতি মামলা সহ বিভিন্ন মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে চলে যায়। ঘটনার পর এলাকার কতিপয় অসাধু চক্রের ইশারায় বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিট্রেট আদালত (টেকনাফ)বরাবরে একটি ফৌজধারী মামলা দায়ের করে।বিজ্ঞ আদালত মামলাটি অভিযোগের বিষয় সরেজমিন তদন্ত পুর্বক পরবর্তী এক মাসের মধ্যে স্থানীয় চেয়ারম্যান হোয়াইক্যং কে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ প্রধান করেন। ঘটনার বিষয়ে প্রতিবেদক সরেজমিনে গেলে এলাকাবাসি জানান,মমতাজ বেগমকে আলী আজগর, তফুরা বেগম,আয়শা বেগম কতৃক মারধরের বিষয়ে কোন তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী জানান,উক্ত মমতাজ বেগম বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষকে নানান মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।এতে জানা যায়, উক্ত মমতাজ বেগম জনৈক আব্দুল জব্বার,নজির আহম্মদ কে মিথ্যা মামলা দিয়ে অনেকদিন হয়রানীর পর অবশেষে ক্ষতি পূরণ লোপে নেয়ার পর বিভিন্ন মানুষকে হয়রানী করার মিশনকে ব্যবসা হিসাবে বেচে নেন।তারই অংশ হিসাবে আলী আজগর নামের এক জেলে পরিবারকে বানিজ্যিক ভাবে হয়রানি করার কুমানসে আদালতে একটি মিথ্যা মামলার আশ্রয় নেই বলে এলাকাবাসী জানান।এই ব্যাপারে মমতাজ বেগমের সাথে যোগাযোগ করা হলে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর বিষয় অস্বীকার করেন।