১০ টাকায় চাল বিতরণের তালিকায় চেয়ারম্যানের বাবা ভাই চাচা

file.jpeg

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার ৭টি ইউনয়নের হতদরিদ্রদের জন্য ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

কচুয়া ও মোড়েলগঞ্জ উপজেলার বনগ্রাম, রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের হতদরিদ্রদের নামের তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যরা তাদের আত্মীয়স্বজন, দলীয় নেতাকর্মী, নিজ পরিবারের নামে-বেনামসহ একই পরিবোরে দুই তিন জনের নাম, সরকারি চাকুরিজীবী, ভিজিডি কার্ডপ্রাপ্ত, শাসকদলের নেতাকর্মী ও বিত্তবানদের নাম তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করে ১০ টাকা দরে চাল বিতরণ করছেন।

এসব এলাকার ডিলাররা মাপেও কম দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে গোপালপুর, মঘিয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে চাল মাপে কম দেয়া ও রাড়ীপাড়া ইউনিয়নে কার্ড বিতরনের সময় কার্ড প্রতি ১০ টাকা আদায় করার অভিযোগ উঠেছে।

কচুয়া উপজেলার বাধাল ইউনিয়নের ১ হাজার ৭৩০ জন হতদরিদ্রদের নামের তালিকার মধ্যে বর্তমান চেয়ারম্যানের পিতা সুলতান আলী নকীব, তার চাচা জালাল নকীব (কোটিপতি) এবং চেয়ারম্যানের ভাই নকীব শহিদুল ইসলামের নামও রয়েছে।

এছাড়া বাধাল ইউনিয়নে বিত্তবান, শাসকদলের প্রভাবশালী, সরকারি চাকুরি এবং ভিজিডি কার্ডধারীদের নাম রয়েছে ১০টাকা কেজি দরে চাল প্রদানের তালিকায়।

বিলকুল গ্রামের বাসিন্দা নকীব কবির হোসেন এবং তার স্ত্রী মমতাজ বেগম। তারা দু’জনেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক হলেও তাদের ১০টাকা কেজি দরে চাল বিতরণের তালিকায় নাম রেখে হতদরিদ্রদের বঞ্চিত করা হয়েছে।

অথচ বিলকুল গ্রামে দিন মজুর হতদরিদ্র প্রতিবন্ধি আমজাদ আলীর নাম নেই এ তালিকায়। এরকম শত-শত হতদরিদ্রকে বঞ্চিত করে বিত্তবান, সরকারি চাকুরীজীবী, শাসকদলের লোকজন হাতিয়ে নিচ্ছেন ১০টাকা কেজি দরের চাল।