পেনশন ও ফ্ল্যাট বিক্রির টাকায় গুলশানে হামলা

artisan_28025_1476773377.jpg

পরিবার নিয়ে সিরিয়ায় পালিয়ে যাওয়া রাজধানীর খিলগাঁওয়ের চৌধুরিপাড়ার ডা. রোকনউদ্দিন, আজিমপুরে নিহত তানভির কাদেরি ও মিরপুরে নিহত মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম ওরফে মুরাদ গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলা বাস্তবায়নে অর্থ যোগান দিয়েছিলেন।

মঙ্গলবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ও কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগের প্রধান (সিটি) মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, হামলা বাস্তবায়নে ওই তিন ব্যক্তি জেএমবির তহবিলে অর্থ যোগান দিয়েছিলেন। এর মধ্যে ডা. রোকনুদ্দিন জেএমবি তহবিলে ৮০ লাখ টাকা দিয়েছেন। এছাড়া রুপনগরে পুলিশের অভিযানে নিহত মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম ওরফে মুরাদ তার পেনশনের টাকা দান করেন এবং পুরান ঢাকার লালবাগে পুলিশি অভিযানে নিহত তানভির কাদেরি তার উত্তরার ফ্ল্যাট বিক্রি করে গুলশান হামলায় অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।

উল্লেখ্য, রাজধানীর খিলগাঁওয়ের চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা ঢাকা শিশু হাসপাতালের ডাক্তার রোকনউদ্দিন তার পরিবারসহ গত ১৮ জুলাই থেকে নিখোঁজ। তিনি বর্তমানে সিরিয়ায় অবস্থান করছেন বলে পুলিশের ধারণা।

তার পরিবারের অন্য সদস্যরা হলেন- রোকনউদ্দিনের স্ত্রী নাইমা আক্তার, বড় মেয়ে নাদিয়া ও তার স্বামী শিশির এবং ছোট মেয়ে রামিতা।

এর মধ্যে নাদিয়া ও শিশির নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। নাইমা আক্তার কবি নজরুল কলেজের অধ্যাপক। ছোট মেয়ে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী।