আওয়ামী লীগের সম্মেলন ঘিরে বিশাল কর্মযজ্ঞ

al.jpg

টেকনাফ টুডে ডেস্ক |
বাংলাদেশের বৃহৎ এবং পুরাতন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০তম সম্মেলন আর মাত্র ৩ দিন বাকি। সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের যেন ব্যস্ততার শেষ নেই। সম্মেলনকে স্বার্থক এবং সুন্দর করতে দলটির পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে নানা পদক্ষেপ।

আগামী ২২-২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় কাউন্সিলকে ঘিরে সম্মেলনস্থলে চলছে বিশাল কর্মযজ্ঞ। এবারই প্রথম সর্বোচ্চ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে সম্মেলনকে কেন্দ্র করে।
২০২১ থেকে ২০৪১ সাল পর্যন্ত উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে সাজানো হয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের খসড়া ঘোষণাপত্র। আসন্ন ২০তম সম্মেলন উপলক্ষে প্রণীত ঘোষণাপত্রে ১০টি খাতে করণীয় নিয়ে দিকনির্দেশনা থাকছে।

এতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন, ব্লু ইকোনমির প্রতি দেয়া হয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। এছাড়া মেগাপ্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি থাকছে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান (রেসকোর্স ময়দান), যেখানে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিয়েছিলেন, সেই ময়দানেই স্বাধীনতার ৪৫ বছর পর জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে দিক-নির্দেশনা দিবেন।

এবারের সম্মেলন আওয়ামী লীগের ইতিহাসের অন্যান্য সম্মেলন থেকে অনেকটাই ব্যতিক্রম। এবারই প্রথম সম্মেলনের প্রচার-প্রচারণা এবং সাজসজ্জার জন্য তোরণ, দেয়াল লিখা, ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে বঙ্গবন্ধু, সভানেত্রী, সজীব ওয়াজেদ জয়, বঙ্গবন্ধুর পরিবার ও প্রয়াত জাতীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়া অন্য কারো ছবি ব্যবহার করা যাবে না।

সম্মেলনের জন্য রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সাজতে শুরু করেছে নতুন সাজে। উদ্যানের চারপাশে লাগানো হয়েছে বাহারি রকমের আলোকসজ্জা। তৈরি হচ্ছে সু-বিশাল মঞ্চ, মঞ্চের চারপাশে থাকবে বিভিন্ন ধরনের কারুকাজের তৈরি অলংকার, নেতাকর্মীদের চিকিৎসার জন্য থাকবে মেডিকেল ক্যাম্প, খাবারের জন্য থাকবে ফুড কর্ণার। সম্মেলনে প্রবেশের জন্য থাকবে প্রধানমন্ত্রী-ভিভিআইপিসহ ৭টি বিশাল গেট।

এদিকে সম্মেলনকে সামনে রেখে নেতাকর্মীদের মধ্যে এখন উৎসবমূখর পরিবেশ বিরাজ করছে।