পেকুয়ায় খুচরা ডিলারশীপ অনুমোদন বিলম্ভে কৃষক ভোগান্তি ॥

.jpg

এস.এম.ছগির আহমদ আজগরী;পেকুয়া :
কক্সবাজারের পেকুয়ায় কৃষি উপকরণ সংকট সরবরাহে ঘাটতি না থাকলেও খুচরা ডিলারশীপ অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্নের অভাবে কৃষকের ভোগান্তির অন্ত নেই। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের আন্তরিকতার অভাবই এ ভোগান্তির কারণ বলে সচেতন মহলের ধারনা।
জানা যায়, বর্তমান সরকার দেশকে খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ন করতে কৃষি খাতে বিপুল পরিমান ভুর্তুকি দিয়ে যথাসময়ে কৃষি উপকরণ সরবরাহে নানামূখী যূগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহন করে। তৃনমূল কৃষকদের যাবতীয় উপকরণ প্রাপ্তি নিশ্চিতে পর্যাপ্ত ডিলারশীপ ব্যবস্থাও চালূ করে। এমনকি দেশের কৃষকদের ভোগান্তির অবসানে সারাদেশে চালু করে খুচরা ডিলারশীপ প্রথা। যার আওতায় সারাদেশের প্রত্যন্ত পাড়া মহল্লার কৃষকরা খুচরা ডিলারশীপের সুবিধা নিয়ে তাদের চাহিদা মতো উপকরণ ভোগান্তি ছাড়াই নিচ্ছেন সংগ্রহে। কিন্তু ব্যতিক্রম শুধু জেলার পেকুয়ায়। সারাদেশে সরকার খুচরা ডিলারশীপ প্রথা চালু করলেও সেই সূযোগ সুবিধাটির প্রচলন এখনো হয়নি এ উপজেলায়। ফলে, তৃণমূলের কৃষক সমাজ চরম নানামূখী ভোগান্তি দূর্ভোগের সাথী হয়ে বাধ্য হচ্ছে তাদের ন্যায্য কৃষি উপকরণ সংগ্রহে নিতে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পেকুয়া উপজেলার ৭ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়া মহল্লা লোকালয়ের অনেকেই কৃষি উপকরনের খুচরা ডিলারশীপ প্রত্যাশী হলেও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কার্যালয় তথা কৃষি অধিদপ্তরের রহস্যজনক ভুমিকার বেড়াজালে জড়ানোর শংকায় ডিলারশীপের আবেদনে অনাগ্রহী হয়ে পড়েছে। নির্ভরযোগ্য সূত্র আরো জানা গেছে যে, উপজেলার ৭ইউনিয়নের অনেকেই কৃষি উপকরনের খুচরা ডিলারশীপের জন্য যথাযথ নিয়মে আবেদন জানিয়েছে প্রায় হাফডজনেরও বেশি। এসব আবেদন জমাদানের বছর পেরিয়ে গেলেও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় রহস্যজনক কারণে তার অনুমোদনে তালবাহানা ও বিলম্ভের আশ্রয় নেওয়ায় খুচরা ডিলারশীপ প্রত্যাশীদের মাঝেও দেখা দিয়েছে হতাশা। অন্যদিকে, নির্দ্দিষ্ট পাইকারী ডিলাশীপ ব্যতিত কৃষি উপকরনের খুচরা ডিলারশীপের অনুমোদন না দেওয়ায় উপজেলার দূর্গম ও প্রত্যন্ত পাড়া মহল্লার কৃষকরা চরম ভোগান্তি ও দূর্ভোগের শিকার হচ্ছেন বলে জনশ্রুতি পাওয়া গেছে। এবিষয়ে জানতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এম এইচ এম মনিরুজ্জামান রব্বানীর ব্যবহৃত মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি অফিসের বাইরে ব্যস্ত আছেন মন্তব্য করে পরে যোগাযোগের অনুরোধ জানান। পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মারুফুর রশিদ খানের কাছে জানতে চাইলে এ বিষয়ে তিনি শীঘ্রই ব্যবস্থা গ্রহনের আশ^াস দেন।