সেন্টমাটিনদ্বীপে হোটেল মোটেল-রেষ্টুরেন্টে পর্যটকদের উপর চলছে গলাকাটা বাণিজ্য

.jpg

মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী |
বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ মিয়ানমার সীমান্তবর্র্তী টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ মূল ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন সাগরবক্ষে প্রাকৃতিক ভাসমানদ্বীপ “সেন্টমার্টিনদ্বীপ” এক নজরে দেখার উদ্দেশ্যে পর্যটন মওসূমে দেশীও বিদেশী পর্যটকেরা চলে আসে উপভোগ করার জন্য এ দ্বীপে। মৌসুমে টেকনাফ সেন্টমার্টিন নৌ-পথে ৬/৭টি জাহাজ চলাচল করে থাকে । তৎমধ্যে কেয়ারী সিন্দাবাদ ও কেয়ারী ক্রুজ (এসিযুক্ত) এ ২টি অত্যাধুনিক জাহাজ পর্যটকদের জন্য মনোপূত এবং পর্যটকেরা আগেভাগে এর বুকিং নিতে তৎপর থাকে। টেকনাফ দমদমিয়া বেসরকারী ভাবে নির্মিত ঘাট থেকে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০ টায় জাহাজ ছাড়ে এবং ১২ টায় সেন্টমার্টিনদ্বীপে পৌছে। আবার বিকাল ৩ টায় ফিরে আসে। মাত্র ৩ ঘন্টার জন্য পর্যটকেরা উপভোগ করে মাত্র। তাও পুরোদ্বীপ পরিভ্রমন করতে পারেনা।
পর্যটকদের ভাষ্যমতে মাত্র ৩ ঘন্টার জন্য দেশী ও বিদেশী পর্যটকেরা প্রচুর পরিমাণ অর্থ ব্যয় করলে ও সূযোগ সুবিধা বাড়েনী পর্যটন ব্যবস্থাপনা খাতে। যোগাযোগ আবাসিক এবং আপ্যয়ন খাতে পর্যটকদের উপর চালানো হচ্ছে, নীরব গলাকাটা বাণিজ্য। নিয়ন্ত্রন নেই এসব ব্যবস্থাপনার উপর।
টেকনাফ সেন্টমার্টিন নৌ-পথে যে ক’টি জাহাজ চালু রয়েছে। তারমধ্যে কয়েকটি জাহাজ ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী বহন এবং অর্থ ব্যায় হয়। এমন অভিযোগ পর্যটকদের।
সেন্টমার্টিনদ্বীপে মোট ৮৩টি হোটেল, মোটেল ও রেস্তোঁরা এর মধ্যে ব্লুম্যারিন, প্রিন্স হ্যাভেন, প্রাসাদ, আবকাশ, নীল দিগন্তর, সীমানা পেরিয়ে, সমূদ্র কুটির, শাহরিন, তিনশো ও লাভিবা উল্লেখযোগ্য।
পর্যটনের ভরা মওসূমে এসব হোটেল মোটেল পর্যটন রোম বোকিং নিতে পর্যটকদের উপর চালায় গলাকাট বাণিজ্য। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কয়েকজন পর্যটকেরা অভিযোগ করেন, এসব হোটেল ও মোটেল রুম ভাড়া যেখানে ১ হাজার টাকা, সেখানে নিচ্ছে ২ থেকে ৪ হাজার টাকা। এ ক্ষেত্রে পর্যটকেরা প্রতারনা শিকার হচ্ছে বারংবার।
এছাড়া দমদমিয়া জাহাজ ঘাট এবং সেন্টমার্টিনদ্বীপে দালালের উৎপাত বৃর্দ্ধি পাওয়ার পর্যটকেরা নানা ভাবে প্রতারনা শিকার হচ্ছে।

এ প্রসংগে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শফিউল আলম বলেন, পর্যটকদের উপর জাহাজ এবং হোটেল মোটেল কর্তপক্ষ গলাকাটা বাণিজ্যের অভিযোগ আমিও শুনেছি। সুনিদ্রিষ্ট প্রমান পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সেন্টমার্টিনদ্বীপের ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, পর্যটন মওসূমে পর্যটকদের স্বার্থে আমরা তাদের সেবায় নিয়োজিত এবং যে কোন আপদকালীন পরিস্থিতি তাদের পাশে থাকব। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ছাড়াও দ্বীপে ক্ষদ্র প্রতিষ্টানসমূহ পর্যটকদের গলাকাটা বাণ্যিজ্য চালালে আমরা কিন্তু নীরবে বসে থাকব না।