উখিয়ায় ভিক্ষুক মা ছেলের বিচার কি পাবে না?

bbb.jpg

নিজস্ব প্রতিনিধি, উখিয়া |
উখিয়ায় ভিক্ষা করে চলে রাজাপালং ইউনিয়নের জাদিমোড়া গ্রামের মৃত কালা মিয়ার স্ত্রী জুহুরা খাতুন। তার ছেলে কে যারা নির্মম ভাবে হত্যা করেছে সে ওই হত্যাকারীদের বিচার পাবে কি না এ নিয়ে প্রশাসনের ধারে ধারে ঘুরছে। অপেক্ষায় রয়েছে কবে তার ছেলে হত্যাকারীদের বিচার হবে? আদালাতে মামলা করলেও হত্যাকারীরা এলাকায় প্রকাশ্য ঘুরা ফেরা করছে। আদালতে দায়েরকৃত উক্ত হত্যা মামলাটি কে ধামা ছাপা দেওয়ার জন্য এলাকার জৈনক মেম্বার টাকার মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে বলে জানা গেছে। ইতিহাসের নজিরবিহী ঘটনাটি এ প্রথম কক্সবাজারের উখিয়ার সোনার পাড়া এলাকায় ঘটেছে। ঘটনার সূত্রপাত, গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮ টার সময় স্ত্রী রোজিনা আকতারের পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে, জালিয়াপালং ইউনিয়নের ঘাটঘর পাড়া এলাকার বেলাল উদ্দিনের ছেলে প্রেমিক মোজাম্মেলের নেতৃত্বে আলী আহম্মদ, চৌধুরী পাড়া এলাকার মৃত মোঃ কালুর ছেলে দানু মিয়া, স্ত্রী রোজিনা আক্তার, খুরশিদা বেগম, রুবি আকতার সহ শীর্ষরা উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের জাদিমোড়া এলাকার মৃত মোঃ কালু ও ভিক্ষুক জুহুরা খাতুনের ছেলে নুরুল ইসলাম কে শারীরিক ও মানসিক নির্যান চালিয়ে শরিরের বিভিন্ন অংশে ক্ষত বিক্ষত করে তাকে গুরুতর জখম পূর্বক, পরে শীর্ষরা সুকৌশলে মামলা থেকে রেহায় পাওয়ার জন্য মূমর্ষ অবস্থায় আহতের মূখে বিষ ঢেলে দিয়ে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের সামনে ফেলে দিয়ে চলে আসে বলে জানা যায়। পরে ২৯ সেপ্টেম্বর ভোর ৪ টার দিকে সে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে জীবনের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। নুরুল ইসলামের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে তার হত্যাকান্ডে জড়িতরা তাকে ওই দিন বিকালে নানা নাটকীয়তার মাধ্যমে নুরুল ইসলামের মৃত লাশটি তার মা- ভাই, বোন ও তার কোন আতœীয় স্বজনকে না জানিয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল থেকে লাশটি হত্যাকান্ডে জড়িতরা তার শশুর বাড়ীতে নিয়ে এসে স্থানীয় কিছু কথিত দালালদের সহযোগিতায় ওই দিন রাত্রে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাপন করার চেষ্টাকালে, খবর পেয়ে ওই সময় উখিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করনে। তবে ময়নাতদন্ত শেষে হত্যাকারীরা তার লাশ বাপের বাড়ীতে না দিয়ে রহস্যজনক কারনে শশুর বাড়ীতে নিয়ে দাপন করে। লাশটির মূখমন্ডল জ¤œ দাত্রী মা কে পাষন্ডরা দেখতে দেয়নি বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। ঘটনা এ খানেই শেষ হয়নি, গত সোমবার নিহতের বোন গোলফরাজ বেগম বাদী হয়ে হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জনকে আসামী করে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত ২ কক্সবাজারে একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ২৯২/১৬ তারিখঃ ১০/১০/২০১৬ ইং। বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, পুলিশ ব্যুারো অব ইনভেষ্টিগেশন (এফ বি আইকে) তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।