উখিয়ায় নিরীহ যুবককে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

.jpg

নিজস্ব প্রতিনিধি, উখিয়া |
কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার রতœা পালং ইউনিয়নের খন্দকার পাড়া গ্রামের প্রভাবশালী মৃত হাসমত আলীর ছেলে ফিরোজ আহম্মদ একই এলাকার নুরুল আলম সহ ৮ জনকে মিথ্যা মামলার আসামী দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, ফিরোজ আহম্মদ ককসবাজার জেলা সদর হাসপাতাল থেকে মিথ্যা ও বানোয়াট জখমী ডাক্তারী সনদ নিয়ে কক্সবাজার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। বিচারক উক্ত মামলাটি আমলে নিয়ে এফ আই আর হিসাবে গ্রহন করে উখিয়া থানার ওসিকে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেন। যার মামলা নংÑ ৫৮/১৬ ইং। উখিয়া থানার তৎকালিন ওসি মোঃ হাবিবুর রহমান তদন্ত না করে বাদীর পক্ষ হয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে আদালতে নীরহ নুরুল আলম ড্রাইভার, দিদারুল আলম, ফকির আহম্মদ, মোহম্মদ আলী, ছৈয়দ নুর, জাহাঙ্গীর আলম, ফরিদ আলম ও বেদার আলমের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা বানোয়াট ও জাল ডাক্তারী সনদের মাধ্যমে আদালতে একটি মিথ্যা চার্জসিট দাখিল করেন। এর সূত্র ধরে উখিয়া থানা পুলিশ দিদারুল আলমকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরন করেন। এ নীরহ যুবক কে ৭ দিন বিনা অপরাধে মিথ্যা মামলায় কারা ভোগ করতে হয়েছে। নীরহ দিদারুল আলম জানান, তারা আদালতে উখিয়া থানার মামলা নংÑ জি আর ৪৪/১৬ এর বিরুদ্ধে বিজ্ঞ হাকিমের আদালতে নারাজি দেন। বিজ্ঞ হাকিমের আদালত উক্ত আবেদনটি আমলে নিয়ে কক্সবাজার সদর থানাকে একটি প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ প্রদান করেন। কক্সবাজার সদর থানার ওসি তদন্ত মোঃ বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে উল্লেখিত মিথ্যা জাল মেডিকেল সার্টিফিকেট ওই মামলার বাদী আদালতে দাখিল করেন বলে উল্লেখ করেন। কারন ভিকটিম মোঃ কামাল উদ্দিন কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ডাক্তার সোলতান আহম্মদ সিরাজী আবাসিক মেডিকেল অফিসার জেলা সদর হাসপাতাল জানান যে, ওই ধরনের কোন মেডিকেল সার্টিফিকেট দেওয়া হয়নি বলে জানান। কক্সবাজার সদর থানার ওসি তদন্ত মোঃ বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী তদন্ত করে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল কতৃপক্ষের কথা মতে আদালতে গত ৩০/৯/১৬ ইং একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন।