টেকনাফ সাগরে লাইসেন্সবিহীন বোটের ছড়াছড়ি সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমান রাজস্ব

Teknaf-pic_boat_tt-pic.jpg

আবুল কালাম আজাদ, টেকনাফ |
টেকনাফ সাগর ও নাফ নদীতে লাইসেন্সবিহীন বোটের ছড়াছড়ি । খোঁজ নিয়ে জানা যায় ইদানিং এ সমস্ত লাইসন্সবিহীন বোট গুলো ইয়াবা ট্যাবলেট বহনের কাজে ব্যবহ্নত হচ্ছে। এছাড়া অতীতে যে সমস্ত বোট মানব পাচার কাজে ব্যবহার হয়েছিল এদের সিংহভাগ ইয়াবা ট্যাবলেট বহনের কাজে ব্যবহার হচ্ছে। উল্লেখিত বোট গুলো সাগরে মাছ ধরার নাম করে বাংলাদেশ-মিয়ানমার জলসীমানায় অবস্থান করে মিয়ানমার থেকে আনা ইয়াবার চালান গুলো নিয়ে টেকনাফে এসে মাছ অথবা অন্যান্য পন্য বোঝায় এর নাম করে নিয়ে যাচ্ছে সাগর পথে দেশের অভ্যন্তরে। এই ট্যাবলেট বোঝায় বোট মাঝে-মধ্যে ইয়াবা সহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে আটক হয়। সেখানে বোটের সাথে মাঝি-মাল্লা আটক হলেও বোটের মালিক থাকে ধরা ছোয়ার বাইরে। বোটের মালিককে খোঁজ করেও পাওয়া যায় না। কারণ আটককৃত বোটের কোন কাগজ পত্র থাকে না। টেকনাফ একটি সীমান্ত এলাকা। এ সীমান্ত দিয়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমান চোরাই পন্য বিভিন্ন কৌশলে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এ গুলো বহন কাজে ব্যবহ্নত হয় এই লাইসেন্সবিহীন বোট গুলো। ইহা ছাড়া অবৈধ কর্মকান্ডে ও ব্যবহার হয়। বিগত মানব পাচারের সময় এই অবৈধ বোট নিয়ে শত শত লোকজন মালেশিয়ায় পাড়ি জমিয়ে ছিল। বোটের লাইসেন্সপত্র না থাকার কারণে যেমনি অবৈধ কর্মকান্ড করে পার পাচ্ছে তেমনি এ খাতে সরকার হারাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব।
এই বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুজাত কুমার চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,বোটের লাইসেন্স বিষয়ে আমার কোন হাত নেই। এ বিষয়ে অভ্যান্তরিন নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয় কাজ করে থাকে।