টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে এক প্রভাবশালী কর্তৃক অন্যের জমি জবর দখলের অভিযোগ

.jpg

জামাল উদ্দিন, টেকনাফ |
টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কানজর পাড়া এলাকায় এক প্রভাবশালী সৌদি প্রবাসী কর্তৃক অন্যের জমি জবর দখল করে মাটি কেটে প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করার পাশাপাশি স্থানীয় জনসাধারণের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কানজর পাড়া এলাকার মৃত কবির আহমদের পুত্র প্রভাবশালী সৌদি প্রবাসী হেলাল উদ্দিনে নেতৃত্বে কয়েকজন জবর দখলকারী একই এলাকার মৃত ছালেহ আহমদের পুত্র সিরাজুল ইসলাম ও নুরুল আজিমের বন্দোবস্তি করা পাহাড়ী জমি মাটি কাটার লেবার দিয়ে জোর পূর্বক কেটে দখলে নিতে দেখা গেছে। ভোক্ত ভোগীদের অভিযোগে জানা গেছে গত ২৫ বছর পূর্বে কানজর পাড়া গ্রামের মৃত ছালেহ আহমদের পুত্র সিরাজুল ইসলাম ও নুরুল আজিম স্থানীয় গুরা মিয়ার ২২৭৭ দাগের আন্দর থেকে ০৩ শতক ও মৌলভী আজিম উদ্দিন থেকে একই দাগের আন্দর ৮০ শতক, ২১৪৯ ও ২১৫২ দাগের আন্দর ডাঃ আমান থেকে ৬০ শতক জমি বন্দোবস্তি নেয়। এক পর্যায়ে সিরাজুল ইসলাম ও নুরুল আজিম গং উক্ত জমি গুলি আর.এস. ও বি.এস. খতিয়ান মূলে কবলা সৃজন করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগ দখল করে আসছে। উক্ত জমিতে একই এলাকার মৃত কবির আহমদের পুত্র প্রভাবশালী সৌদি প্রবাসী ও জামায়াত নেতা হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে তার অপরাপর আত্মীয়-স্বজনরা উড়ে এসে জুড়ে বসার মতো করে বাদশা মিয়া, বশির আহমদ, বশির আহমদের পুত্র জসিম উদ্দিন ও বাদশা মিয়ার পুত্র জালাল উদ্দিন প্রকাশ পুতিয়া গং জোর পূর্বক দখলে নিয়ে যাচ্ছে। উক্ত হেলাল উদ্দিন গং প্রভাবশালী হওয়ায় স্থানীয় বিচার সালিশের তোয়াক্কা না করে মাটি কেটে পাহাড়ের ঢালো সাবাড় করলেও বাঁধা দেওয়ার কেউ নেই। এতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্টের পাশাপাশি স্থানীয় জনসাধারণের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতিসহ ও ফসলী জমি মাটি পড়ে ভরাট হয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত হেলাল উদ্দিনের সাথে কথা বলে জানা যায়- তার কাছেও বিভিন্ন জন থেকে ক্রয় সূত্রে জমিনের দলিল রয়েছে। এখানে জবর দখলের প্রশ্নই আসে না। এ ব্যাপারে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার আবদুল গফফ্ার বলেন- ০৮ অক্টোবর সকালে মাটি কাটার খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে পৌছে উভয় পক্ষকে ঝগড়া বিবাদে না গিয়ে নিজ নিজ কাগজ পত্র নিয়ে বসে বিষয়টি সমাধানের নির্দেশ দিয়েছি। এতে কেউ জোর পূর্বক কিছু করলে আমার করার কিছুই নেই। এ ব্যাপারে আমি অভিযোগকারী সিরাজুল ইসলাম ও নুরুল আজিম গংকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি। এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভোক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।