বিসমিল্লাহ’র ঋণজালিয়াতি : জনতা ব্যাংকের সাবেক দুই ডিজিএম গ্রেফতার

acc_26977_1475744026.jpg

জনতা ব্যাংকের সাবেক দুই ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারকে (ডিজিএম)গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিল থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন- জনতা ব্যাংক ভবন কর্পোরেট শাখার সাবেক ডিজিএম আজমুল হক ও এসএম আবু হেনা মোস্তফা কামাল। পর তাদের আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে দুদকের একটি টিম তাদের গ্রেফতার করে। টিমের অন্য সদস্যরা হলেন- উপপরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী, এসএম রফিকুল ইসলাম, জালাল উদ্দিন আহমেদ ও খন্দকার আখেরুজ্জামান।

দুদক সূত্র জানায়, ১২শ’ কোটি টাকার ঋণজালিয়াতি, মানিলন্ডারিং ও আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৩ সালের ৩ নভেম্বর বিসমিল্লাহ গ্রুপের বিরুদ্ধে পৃথক ১২টি মামলা হয়।

মামলাগুলোতে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক খাজা সোলায়মান আনোয়ার চৌধুরী, চেয়ারম্যান নওরীন হাসিব, প্রাইম ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. ইয়াছিন আলীসহ ৫৪ জনকে আসামি করা হয়।

বিসমিল্লাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ১৩ জন মামলাগুলোর অভিন্ন আসামি। বাকি ৪১ জনের মধ্যে জনতা ব্যাংকের তিনটি শাখার ১২ জন, প্রাইম ব্যাংকের ৯ জন, প্রিমিয়ার ব্যাংকের ৭ জন, যমুনা ব্যাংকের ৫ জন এবং শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ৮ কর্মকর্তা রয়েছেন।

এজহারের তথ্য মতে, বিসমিল্লাহ গ্রুপ শুধু জনতা ব্যাংক থেকেই ৩৩২ কোটি ৯১ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে। এ ঘটনার সঙ্গে জনতা ব্যাংক ভবন কর্পোরেট শাখার জিএম ও শাখা ব্যবস্থাপক আবদুস সালাম আজাদ, একই শাখার দুই ডিজিএম আজমুল হক ও এসএম আবু হেনা মোস্তফা কামাল, দুই এজিএম (রফতানি) অজয় কুমার ঘোষ ও ফায়েজুর রহমান ভুঁইয়া, রফতানি বিভাগের কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার সৈয়দ জয়নাল আবেদীন, ব্যাংকটির মগবাজার শাখার ব্যবস্থাপক রফিকুল আলম, এসইও খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও আতিকুর রহমান, এলিফ্যান্ট রোড শাখার এজিএম মোস্তাক আহমদ খান এবং এসইও এস এম শোয়েব-উল কবীরের সংশ্লিষ্টতা উল্লেখ করা হয়।