টেকনাফ-সেন্টমার্টিন জাহাজ চলাচল শুরু হচ্ছে আজ

Teknaf-st-pickearysinbad-05.jpg

মো: আশেক উল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ |
টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের চলাচলের অনুমতি প্রদান করেছে প্রশাসন। এর ফলে বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) থেকে কয়েকটি জাহাজ পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিন যাতায়াত করবে। মঙ্গলবার জেলা প্রশাসন থেকে এ সংক্রান্ত অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শফিউল আলম সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জেলা প্রশাসক কার্যালয় হতে জাহাজ চলাচলের অনুমতি প্রদান করা হয়ে থাকে। বৃহস্পতিবার থেকে কেয়ারী সিন্দবাদ, কেয়ারী ক্রুজ এন্ড ডাইন ও বে ক্রুজ এই ৩ টি জাহাজকে চলাচলের অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।
অন্যান্য সময়ে ঈদ উল আযহা পরবর্তী ছুটি থেকেই জাহাজ চলাচল শুরু হলেও এইবার দুর্যোগপূর্ন আবহাওয়ার কারনে প্রশাসন বিলম্বে অনুমতি প্রদান করেছে। তারপরও জাহাজ চলাচলে অনুমতি পাওয়ায় সেন্টমার্টিন ও টেকনাফের পর্যটন কেন্দ্রীক ব্যবসায়ীরা স্বস্থি প্রকাশ করেছে।
দমদমিয়া কেয়ারী সিন্দবাদ জাহাজের ইনচার্জ শাহ আলম জানান, কেয়ারীর দুইটিসহ মোট ৩টি জাহাজ চলাচলের অনুমতি পেয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে জাহাজ গুলো পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনের সাথে যাতায়াত করবে। ইতিমধ্যে চলাচলের জন্য জাহাজগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে।
সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ জানান, এখানকার হোটেল-রেস্টুরেন্টগুলো ঈদ উল আযহার পর থেকে পর্যটক আগমনের প্রস্তুতি নিয়ে অপেক্ষায় আছে।
টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটন মৌসুমে ৭/৮টি জাহাজ চলাচল করলেও পর্যটন মৌসুম শেষ হলে কিছু জাহাজ অন্য নৌরুটে চলে যায়। আবার কেয়ারী গ্রুপের দুটি জাহাজ টেকনাফে থাকলেও দুর্যোগপূর্ন আবহাওয়ার কারনে বিশেষ করে এপ্রিল থেকে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। ফলে বেশ কয়েক মাস এই নৌরুটে জাহাজ চলাচল সম্পূর্ন বন্ধ থাকে।
এই সময় সেন্টমার্টিন যাতায়াতে ট্রলারই একমাত্র ভরসা। তখন সেন্টমার্টিনের বাসিন্দাদের পাশাপাশি অনেক পর্যটক ট্রলারে যাতায়াত করে থাকে। জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকলেও আবহাওয়ার সংকেতের উপর নির্ভর করে টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনের সাথে সারা বছর ট্রলার চলাচল অব্যাহত থাকে।
তবে জাহাজ চলাচল শুরু হলেও বদলে যায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিনের চেহারা। এসময় হাজারো পর্যটকের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠে প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন।