ঈদগড়ে ফের মুরগীর খামার থেকে যুবক অপহরণ : ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি !

IMG_4945.jpg

শামীম ইকবাল চৌধুরী, নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান)থেকেঃঃ
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের সীমান্ত সংলগ্ন রামু উপজেলার ঈদগড় ইউনিয়নের করলিয়ামুরা রাস্তার মাথা নামক স্থানের হাসমত উল্লাহ মুরগীর খামার থেকে এক যুবককে অপহরণ করেছে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। অপহৃত যুবক বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের কুম পাড়া গ্রামের বাসিন্দা শামশুল আলম ফকিরের পুত্র মনির উদ্দিন (২৬)। ৪ অক্টোবর মঙ্গলবার ভোর রাতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানান।
অপহৃত মনির উদ্দিনের পিতা শামশুল আলম ফকির জানান, তার ছেলে বাইশারী সীমান্ত সংলগ্ন রাস্তার মাথা নামক স্থানে অবস্থিত হাসমত উল্লাহ মুরগীর খামারে চাকরি সুবাদে প্রায় সময় সেখানেই রাত যাপন করে থাকেন। ৪ অক্টোবর সকাল ৬ টা ২৩ মিনিটে পার্শ্ববর্তী বাড়ির জসিম উদ্দিন বাবুলের মোবাইল ফোনে অপহরণকারীরা ফোন করে জানিয়ে দেয় তার ছেলেকে অপহরণ করেছে এবং উক্ত মোবাইল ফোনে সন্ত্রাসীরা মুক্তিপণের জন্য ২ লাখ টাকা দাবি করে। অন্যথায় তাকে হত্যা করা হবে বলে জানিয়ে দেয়। তিনি বিষয়টি তাৎক্ষনিকভাবে বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবু মুছাকে জানালে সকাল ৮টার সময় সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনারস্থল পরিদর্শন সহ আশপাশে পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালান। খবর পেয়ে বাইশারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বাহাদুর, সাবেক চেয়ারম্যান জালাল আহাম্মদ সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
বাইশারী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবু মুছা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে তিনি সঙ্গীয় ফোর্সসহ আশপাশের এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এবং স্থানীয় লোকজনকে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তিনি জানান অপহরণের স্থানটি রামু থানার অধীনে হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে রামু থানার অফিসার ইনচার্জের সাথে কথা বলে যৌথ অভিযান পরিচালনা করবেন।
উল্লেখ্য, গত ২৩ আগষ্ট সন্ধ্যা ৭টার দিকে একই কায়দায় ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কের ধুমছাকাটা নামক স্থান থেকে বাইশারী ইউনিয়নের ছাত্রলীগ নেতা সহ তিন ব্যক্তিকে অপহরণ করেছিল সন্ত্রাসীরা। পরে অপহৃতরা ৩০ ঘন্টার পর পুলিশের বিশেষ অভিযানের পরও ৪ লাখ টাকার মুক্তিপনের বিনিময়ে মুক্ত হয়েছিল।