টেকনাফে সিএনজি চালক ঘাতকের আশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী

7777777.jpg

হ্নীলা প্রতিনিধি |
টেকনাফে সিএনজি চালককে নৃশংস ভাবে হত্যার ঘটনায় ঘাতকেরা এখন পরিকল্পিতভাবে শত্রুপক্ষকে ঘায়েলের পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানা গেছে। এসব চিহ্নিত অপরাধীদের আশ্রয় দাতাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করে নিরীহ মানুষ হয়রানির বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভূক্তভোগীরা।
গত ১০সেপ্টেম্বর সকালে হ্নীলা রঙ্গিখালী লবণের মাঠে টেকনাফ পুরান পল্লান পাড়ার ছৈয়দ হোছন প্রকাশ লেড়–র পুত্র সিএনজি চালক জাফর আলমের মৃত দেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনার পর উখিয়ার একটি গ্যারেজে ছিনতাই করা সিএনজিসহ উখিয়া থানা পুলিশ পেশাদার খুনী হ্নীলা উলুচামরী লামারপাড়ার আবুল মঞ্জুরের পুত্র ডাকাত রাসেল (২৫), টেকনাফ সদরের লম্বরীর ছৈয়দ আহমদের পুত্র আব্দুল মালেক (১৮) ও গুরা মিয়ার পুত্র আয়াতুল্লাহ (১৮)কে আটক করে। পরে সিএনজি চালক হত্যায় জড়িত থাকার সংবাদ পেয়ে টেকনাফ থানার একদল পুলিশ আটককৃতদের টেকনাফ থানায় নিয়ে এসে পরে আদালতে ৫৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ করে।

এই ব্যাপারে নুরুল আমিনের পরিবার থেকে অভিযোগ করে জানানো হচ্ছে;সুচতুর ডাকাত রাসেলের পূর্ব শত্র“তাবশত স্থানীয় একটি বিশেষ মহলের প্ররোচনায় জবানবন্দিতে হ্নীলা উলুচামরী কোনারপাড়ার মৃত আবুল হোছনের পুত্র নুরুল আমিনের নাম বলে।

তার পরিবার আরো জানায়, গত ২০১৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টায় টেকনাফের হ্নীলা চৌধুরীপাড়া রাস্তার মাথায় যানবাহন থামিয়ে অস্ত্রের ভীতি প্রদর্শন করে সড়ক ডাকাতির সময় নুরুল আমিন জনতার সহায়তায় সংবাদের ছবিতে থাকা অস্ত্রসহ রঙ্গিখালী লামারপাড়ার আবুল মঞ্জুরের পুত্র আবু রাসেল প্রকাশ ডাকাইত্যা রাসেলকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করে। এসময় তার অপর ২সহযোগী দিলদার আহমদের পুত্র সালমান আজিজ ও আবুল কালামের পুত্র মিজানুর রহমান পালিয়ে যায়। ডাকাত রাসেলকে অস্ত্রসহ আটক করে হ্নীলা দরগাহ ষ্টেশনে নিয়ে এসে টেকনাফ থানা পুলিশকে খবর দিলে টেকনাফ থানার তৎকালীন এসআই দেবাশীষ ও এএসআই গোবিন্দ কুমার শর্মা সর্ঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপস্থিত হয়ে অস্ত্রসহ ডাকাত রাসেলকে থানায় নিয়ে যায়।এই রাসেলের নেতৃত্বে শক্তিশালী একটি চক্র মানুষের বসত-বাড়িসহ সড়ক ডাকাতি করে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটায়। তাকে অস্ত্রসহ আটকে সহায়তা করার কারণে ডাকাত রাসেলের বোন রাফিয়া আক্তার নুরুল আমিনকে প্রধান আসামী করে ৩৫ জনকে বিবাদী করে হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেন। তার দুই প্রভাবশালী মামা নুরুল বশর ও আবু তাহেরের ছত্র-ছায়ায় ও আশ্রয়ে থেকে নানা অপকর্মে পা দিয়েই কুখ্যাত খুনী হিসেবে গড়ে উঠে।যার কারণে নিরীহ সিএনজি চালককে নির্মমভাবে খুন করে।ধরা পড়ার পর কোন উপায় না দেখে নিজেতো ফেঁসে গেছে সঙ্গে চির শত্র“কে ফাঁসানোর জন্য এই ধরনের মিথ্যা জবানবন্দির আশ্রয় নিয়েছে। বিষয়টি পুন:তদন্ত স্বাপেক্ষ মিথ্যা মামলা হতে নিরীহ নুরুল আমিনের হয়রানি রোধ এবং নিরীহ সিএনজি চালকের প্রকৃত খুনীদের সুবিচার নিশ্চিত করার জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আন্তরিক সহায়তা কামনা করেছেন।