লেদা রোহিঙ্গা বস্তিতে ৩ সন্তানের জননীর মৃত্যু : পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ

dead.jpg

মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, টেকনাফ |
লেদা রোহিঙ্গা বস্তিতে এক রোহিঙ্গা মহিলার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিবাদমান দু’পক্ষ মুখোমুখী অবস্থান নিয়েছে। বিষয়টি থানা পুলিশ পর্যন্ত গড়ায় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়-৩০সেপ্টেম্বর সকাল ৮টারদিকে হ্নীলা অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা বস্তির ই-ব্লকের ১৯৬নং রোমের বাসিন্দা আব্দুল মোনাফের স্ত্রী ৩সন্তানের জননী মরিয়ম বেগম নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেন।

এই ব্যাপারে নিহতের স্বামী দাবী করেন মুসলিম এইডের একটি বিদ্যুতের যন্ত্র তুলে নেওয়ার সময় বাঁধা দেওয়ার ঘটনায় তার গর্ভবতী স্ত্রীকে মেরে রক্তাক্ত করে। এরফলে তার গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে যায়। এই ব্যাপারে মামলা করায় টাকার প্রভাব খাটিয়ে মামলাটি ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। শেষ পর্যন্ত টাকার অভাবে পর্যাপ্ত চিকিৎসা না পেয়ে সে মারা যায়।

এদিকে অভিযুক্ত বস্তির সেক্রেটারী আমির হোসেন জানান-উক্ত মহিলার স্বামীসহ কয়েকজন আমাকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবী মামলার আসামী। তাই প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে আমাকে হয়রানির জন্য ফাঁসানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।

এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার এএসআই মুফিজুর রহমান জানান আমরা মৃতদেহ নিয়ে দু’পক্ষের অবস্থানের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরীর পর লাশ মর্গে প্রেরণ করি। পোস্ট মর্টেম রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত প্রকৃত ঘটনা কি বলা যাচ্ছেনা।