টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কে হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশের বেপরোয়া চাঁদাবাজির অভিযোগ

ovijog-tt_20-1.jpg

মোঃ আবছার কবির আকাশ,টেকনাফঃ
টেকনাফ- কক্সবাজার মহাসড়কে চলাচলরত বিভিন্ন যানবাহনে হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশের বেপরোয়া চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। হাইওয়ে পুলিশের কাছে চাঁদাবাজির শিকারসহ বিভিন্নভাবে হয়রানির কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েছে টেকনাফ সড়কের পরিবহন মালিক, শ্রমিকরা। তারা এখন পুলিশের চাঁদাবাজিতে জিম্মি হয়ে পড়েছে। পুলিশের চাহিদা অনুযায়ী চাঁদার টাকা দেয়া না হলে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে দেয়া হয় মামলা। এতে করে ক্ষুব্ধ পরিবহন শ্রমিকরা নিয়মিত চাঁদা দিয়েই চলেছেন। হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশ ষ্টেশন সংলগ্ন রোডে কোন গাড়ী থামালেই নাকি তাদের টাকা দিতে হয়। তাদের চাঁদবাজির ঘটনা এখন ওপেন সিক্রেট।
জানা যায়, এস.আই. মোঃ জামাল হোসেন সম্প্রতি হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশে যোগ দেয়ার পর নিয়মিত মাসোহারার হিসাব নিকাশ ঠিক করতে টেকনাফ সড়কের লেদা,বন্দর এলাকা, হ্নীলা ওয়াব্রাং,ফালংখালীর ব্রীজের পূর্বে বেশ কয়েকবার গাড়ীর কাগজ পত্র চেক করার অভিযানে বসে। প্রায় ২ মাস পর্যন্ত এভাবে মান্তলি(মাসিক) ধার্য্য চাদাঁর হার ঠিক করতে সর্বত্র অভিযান চালায়। এতে সরকারের খাতায় টাকা জমা পড়–ক না পড়–ক আইসি জামাল সহ হাইওয়ে পুলিশ বেশ লাভবান হয়েছেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, হাইওয়ে পুলিশের এস.আই. মোঃ জামাল হোসেন,কনষ্টেবল শাহাদত চোরাই হুন্ডা,অবৈধ সিএনজি এবং কাগজপত্রবিহীন চান্দের গাড়ি থেকে মাসিক মাসোহারা নিয়ে গাড়ি চলতে সহায়তা করছেন। এ ছাড়া মাসোহারার বিনিময়ে কাগজপত্রবিহীন মাহিন্দ্রা, ড্রাম ট্রাক মিজিক গাড়ী, লক্কর ঝক্কর গাড়ী চলাচলে মৌখিক অনুমোদন দেয়া হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে । স্থানীয় পরিবহন মালিক ও চালকদের সঙ্গে আলাপকালে বেরিয়ে আসে এসব তথ্য। হ্নীলা সিএনজি মালিক সমিতি জানিয়েছে, হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজিতে আমরা অতীষ্ট হয়ে পড়েছি। জাদিমুরার জনৈক মোঃ হোছাইন জানান, টেকনাফ সড়কে বৈধ কাগজ থাকলেও নাকি হাইওয়ে কে টাকা দিতে হয়। টেকনাফ-কক্সবাজার মহাসড়কের হোয়াইক্যং, হ্নীলা এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রতিনিয়ত গাড়ী থামিয়ে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করছে।
এব্যাপারে এস.আই. মোঃ জামাল হোসেন এর সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি সহ হাইওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগটি সঠিক নয়।এ গুলি পালতু কথা। আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে তিনি দাবী করে বলেন, আমি আসার পর ৩৪ টা মামলা দিয়েছি।