টেকনাফে সরকারী ভাতা পাচ্ছেন ৭৬০৮ জন নারী-পুরুষ

unnamed-3.jpg

জসিম উদ্দিন টিপু, টেকনাফ::
টেকনাফ উপজেলায় ৭৬০৮জন সুবিধাভোগীর মাঝে সরকারী ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। ১টি পৌরসভা এবং ৬টি ইউনিয়নের ৭সহ¯্রাধিক নারী-পুরুষের মাঝে প্রতি মাসে ৩৩লক্ষ ৩০হাজার ৪শ টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়। উপজেলা সমাজ সেবা অফিস সুত্রে জানাগেছে, ৫১৪৫জন বয়স্ক ভাতা, ১৩৯৬জন বিধবা ভাতা, ১০৪৮জন প্রতিবন্ধী ভাতা ও ১৯জন মুক্তিযোদ্ধা এই ভাতার আওতায় রয়েছেন। বয়স্কা ও বিধবা ভাতা প্রতি মাসে ৪শ টাকা। প্রতিবন্ধী ভাতা প্রতি মাসে ৫শ টাকা। অপরদিকে ১০হাজার টাকা করে পাচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, হোয়াইক্যং ইউনিয়নে ১০৩৮জনকে বয়স্ক ভাতা, ১৯৯জনকে বিধবা ভাতা, ২২৩জনকে প্রতিবন্ধী ভাতা ও ৫জন পাচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা। হ্নীলা ইউনিয়নে ৯৬৪জনকে বয়স্ক ভাতা, ১৯৩জনকে বিধবা ভাতা, ২১৭জনকে প্রতিবন্ধী ভাতা ও ৮জন পাচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা। টেকনাফ সদর ইউনিয়নে ৮৪৮জনকে বয়স্ক ভাতা, ১৯৩জনকে বিধবা ভাতা, ২০১জনকে প্রতিবন্ধী ভাতা ও ২জন পাচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা। টেকনাফ পৌরসভায় ৩১৩জনকে বয়স্ক ভাতা, ২৩২জনকে বিধবা ভাতা, ৫৭জনকে প্রতিবন্ধী ভাতা ও ২জন পাচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা। সাবরাং ইউনিয়নে ১০২৬জনকে বয়স্কা ভাতা, ১৯৩জনকে বিধবা ভাতা, ২১০জনের মাঝে প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদান করা হয়। বাহারছড়া ইউনিয়নে ৭৩১জনকে বয়স্ক ভাতা, ১৯৩জনকে বিধবা ভাতা, ১০৬জনকে প্রতিবন্ধী ভাতা ও ২জন পাচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা। সেন্টমার্টিন ইউনিয়নে ২২৫জনকে বয়স্কা ভাতা, ১৯৩জনকে বিধবা ভাতা ও ৩৪জন প্রতিবন্ধী ভাতার আওতায় রয়েছেন। প্রতিবন্ধী আমির হোছাইন লাক্কু, আবু ছৈয়দ ও মাবু জানান, সমাজ সেবা অফিসের কর্মকর্তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় অনেকদিন পর আমরা সরকারী ভাতা পেয়েছি। তারা জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। হ্নীলা হোয়াইক্যংয়ে সমাজ সেবা অফিসের দায়িত্বে নিয়োজিত ফিল্ড অফিসার মুফিজুর রহমান সুবিধাভোগীর কল্যাণে আমরা সব সময় কাজ করে যাচ্ছি জানিয়ে দৈনিক কক্সবাজারকে বলেন, যথাযথ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছ সার্ভের মাধ্যমে সুবিধা ভোগীর তালিকা প্রণয়ন করা হয়ে থাকে। ফিল্ড সুপার ভাইজার গিয়াস উদ্দিন এপ্রতিবেদককে জানান, সুবিধাভোগীদের সুবিধার্থে বর্তমান সরকার ভাতার টাকা বাড়িয়েছে। উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার সিরাজ উদ্দিন দৈনিক কক্সবাজারকে জানান, আমাদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সুবিধাভোগীরা যথা সময়ে ভাতার টাকা গ্রহণ করছেন। সরকারও সুবিধাভোগীদের ভাগ্যের উন্নয়নে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে।