চকরিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪ জামায়াত ও শিবির নেতা জেলহাজতে : পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটক-৪৪

Arrest-220160720155233.jpg

এম.জিয়াবুল হক, চকরিয়া |
চকরিয়া থানার একটি নাশকতার মামলায় লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান শিবির নেতা গোলাম মোস্তাফা কাইছারকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। তার সাথে আরো তিন জামায়াত নেতার জামিন না মঞ্জুর করে আদালত তাদেরকেও জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
শহর জামায়াতের আমীর ও ইউপি চেয়ারম্যানসহ জামায়াতে ইসলামির ৪ নেতা এখন জেল হাজতে। গতকাল সোমবার বেলা ১১ টার দিকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মীর শফিকুল আলমের আদালতে উপস্থিত হয়ে আইনজীবির মাধ্যমে জামিন প্রার্থনা করলে উভয় পক্ষে শুনানি শেষে বিজ্ঞ বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে চারজনকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
জামিন নামঞ্জুর হয়ে জেলহাজতে পাঠানো জামায়াত ও শিবিরের অন্য তিন নেতা হলেন- চকরিয়া পৌরশহর জামায়াতের আমীর আরিফুল কবির, বদরখালী শিবিরের সভাপতি কুতুব উদ্দিন ও চকরিয়া শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি শওকত আলী।
চকরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো.কামরুল আজম বলেন, ২০১৫ সালের ৩ নভেম্বর চকরিয়া পৌরশহরে প্রকাশ্যে গণপরিবহণ ভাংচুর ছাড়াও মহাসড়কে টায়ারে আগুন দিয়ে যান চলাচলে বিঘœ ঘটানোর পাশাপাশি জনমনে ভীতি সঞ্চার করায় থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুখেন্দু বসু বাদী হয়ে ১৬জনকে আসামী করে একটি নাশকতা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর বেশিরভাগ আসামী আদালত থেকে জামিন নেন। পরে চলতি বছরের ৯ মে ওই মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশীট) দাখিল করা হয় আদালতে। চার্জশীট দাখিলের পর আসামীরা ফের জামিন নেয়নি।
এ অবস্থায় মামলার চার আসামী সোমবার আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মীর শফিকুল আলম তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।###

চকরিয়ায় অপরাধ নাশকতা রোধে পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্তসহ ৪৪ আসামি গ্রেপ্তার
এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া |
চকরিয়ায় অপরাধ ও নাশকতা রোধে থানা পুলিশের উদ্যোগে ৫দিন ব্যাপী বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। অভিযানের প্রথম দুইদিনে উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মুসলেম উদ্দিন মোস্তাক ও বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানাসহ ৪৪জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
চকরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মো. কামরুল আজম বলেন, উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের ছোট-বড় সব ধরণের অপরাধ দমন করতে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার শ্যামল কান্তি নাথের নির্দেশে ৫দিনের বিশেষ অভিযান চলছে। ইতিমধ্যে অভিযানে প্রথম দুইদিনে সাজাপরোয়ানা, গ্রেফতারী পরোয়ানা, নিয়মিত মামলার অন্তত ৪৪জন আসামী গ্রেফতার করা হয়েছে। ওসি তদন্ত আরো বলেন, পুলিশের পৃথক টিম সাাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে প্রথম রাতে ২১ জন ও দ্বিতীয় দিনের অভিযানে আরো ২৩জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ অভিযান আরো তিনদিন চলবে।