দাফনের আগে নড়ে ওঠা শিশুটি ঢাকায়

foridpur_126226_25846_1474721896.jpg

টেকনাফ টুডে ডেস্ক |
দাফনের আগে নড়ে ওঠা নবজাতক শিশু গালিবা হায়াতকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

শনিবার বিকাল ৫টা ২৫ মিনিটে একটি হেলিকপ্টারযোগে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। গত দুদিন ধরে ফরিদপুরের ড. জাহেদ শিশু মেমোরিয়াল হাসপাতালে সে নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিল।

হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ৫ মাস ২২ দিনের মাথায় শিশুটি ভুমিষ্ট হওয়ায় নানা জটিলতা দেখা দেয়। শিশুটির জন্য যে চিকিৎসা দরকার তা ফরিদপুরে না থাকায় ঢাকায় নেয়ার প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু পরিবারটির পক্ষে ব্যয়বহুল চিকিৎসা ও ঢাকায় নেবার সামর্থ্য না থাকায় এক ব্যক্তি হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় নেয়ার ব্যবস্থা করেন।

তবে সেই সহৃদয় ব্যক্তির নাম জানা যায়নি।

শিশুটিকে ঢাকা স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হবে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।

এদিকে, চিকিৎসকের অবহেলা রয়েছে কিনা এ ব্যাপারে ফরিদপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক উষা রঞ্জন চক্রবর্তীকে প্রধান করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে ফরিদপুরের বেসরকারী হাসপাতাল ডা. জাহেদ শিশু মেমোরিয়াল হাসপাতালে জন্ম নেয় নাজমুল হুদা ও নাজনীন আক্তার দম্পত্তির কন্যাশিশুটি। পরে চিকিৎসকেরা শিশুটি নড়াচড়া না করায় মৃত ভেবে শিশুটিকে তার আত্মীয়-স্বজনের কাছে দিয়ে দেয়া হয়।

কবরস্থানে দাফনের পূর্বে শিশুটি নড়েচড়ে উঠলে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। ডা. জাহেদ মেমোরিয়াল শিশু হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন ছিল শিশুটি।

এ বিষয়টি নিয়ে ফরিদপুরসহ গোটা দেশজুড়ে বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়।