টেকনাফের নোয়াখালী পাড়া এলাকায় সরকারী রিজার্ভ জমিতে দালান নির্মাণ

teknaf-pic-22-09-16.jpg

সিবিএন :
টেকনাফ বাহারছড়া নোয়াখালী পাড়া বাজারে সরকারী রিজার্ভ জমিতে দালান নির্মান করছে একটি প্রভাবশালী চক্র। এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

জানাযায়, টেকনাফ বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালী পাড়া বাজার ষ্টেশনে সড়কের পশ্চিম পাশ্বে সরকারী বন বিভাগের জমিতে ইলিয়াস কোবরার ভাই শমসু প্রভাব বিস্তার করে দুই কক্ষ বিশিষ্ট একটি দালান নির্মান কাজ চালিয়ে যাচেছ। তবে সরকারী বনের জমিতে দালান নির্মান কাজ চালিয়ে গেলেও বন বিভাগ নিরব ভুমিকা পালন করছে।

এদিকে আরও জানাযায়, ওই এলাকার মৌঃ আলী আহাম্মদ নামে এক ব্যাক্তি বাহারছড়া নোয়াখালী পাড়া বাজারে সরকারী বন বিভাগের ২২ কড়া রিজার্ভ জমি দখলে ছিল। ওই জমিতে ইলিয়াস কোবরা চক্রের নজর পড়ে। এক পর্যায়ে মৌঃ আলী আহাম্মদকে সেখান থেকে উচেছদ করা হয়। এ নিয়ে মৌঃ আলী আহাম্মদ থানাসহ বিভিন্ন স্থানে ইলিয়াস কোবরার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে।

এদিকে ইলিয়াস কোবরা গং বন বিভাগের ২২ কড়া রিজাভ জমিটি স্থানীয় গুলা হোসন প্রবাসী পুত্র ও ভাই সমসুকে বিক্রি করে দেয়। এ জমি ক্রয় করে দালান কোটা নির্মান করছে বলে জানা গেছে।

তবে গত মঙ্গলবার বিরোধীয় জমিটি ভোগ করতে রাজারছড়া বিট কর্মকর্তা আলমগীর কবিরকে ম্যানেজ করে ইলিয়াস কোবরা ভাই শমসু, দখলীয় মালিক মৌঃ আলী ও স্থানীয় মেম্বার ইলিয়াছসহ লোকজন বৈঠক করে রিজাভের জমিটি ইলিয়াস কোবরাদের ছেড়ে দিয়ে মৌঃ আলীকে জোট থেকে ১০ কড়া জমি ও রেজিষ্ট্রির জন্য ৫ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানা গেছে। তবে সরকারী জমি একজন বন কর্মকর্তা উচেছদ না করে কিভাবে অন্য জনকে ছেড়ে দিতে বলে এ নিয়ে সাধারন জনগনের মাঝে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

তবে দালান নির্মানকারী শমসু জানান, এটি আমাদের জোটের জমি। আমার জমিতে দোকান করলে সমস্যা কোথায়। তবে বিএনপি-জামাতের একটি চক্র আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। আমার জমির কাগজপত্র বিট অফিসারকে দিয়েছি। তা আপনারাও দেখতে পারবেন।

এদিকে মৌঃ আলী আহাম্মদ জানান, মঙ্গলবার সকালে বিট অফিসার ও স্থানীয় লোকজন আমাকে ডেকে বসায়। এ সময় রিজার্ভের ২২ কড়া জমিটি ইলিয়াছ কোবরাকে ছেড়ে দিতে বলে। আমাকে জোট থেকে ১০ কড়া জমি ও ৫ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলেন। সবার কথায় আমি মেনে নিতে বাধ্য হয়।

এ ব্যাপারে রাজারছড়া বিট কর্মকতা আলমগীর কবির জানান, নোয়াখালী পাড়া বাজারে রিজার্ভ জমিতে দোকান নির্মানের বিষয় শুনে সেখানে গিয়ে দেখা যায় স্থানীয় ইউপি সদস্য এক বৈঠক করছে। আমাকে জোর করে বসায়। তবে কি সিদ্ধান্ত হয়েছে তা আমার জানা নেয়। এখানকার লোকজন নিজেরা রক্ষায় নানা কথা বলবে। তা আপনারা ভাল জানবেন। তবে এ বিষয়ে রেঞ্জারসহ উদ্ধতন কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে সিদ্ধন্ত নেওয়া হচেছ বলে জানায়।