টেকনাফের ‎‎‎‎‎‎‎হ্নীলায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে স্বশস্ত্র হামলায় একই পরিবারের আহত-৩ : ফাঁকা গুলি বর্ষন করে ভীতি সঞ্চার

Teknaf-picnilla_20.09.jpg

বিশেষ প্রতিনিধি |
টেকনাফের ‎হ্নীলায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে স্বশস্ত্র হামলায় একই পরিবারের ৩ জন গুরুত্বর আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে আশংকাজনক অবস্থায়কে একজনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। এসময় হামলাকারীরা ফাঁকা গুলি বর্ষন করে এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে টেকনাফ থানা পুলিশের একটি টীম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
১৯ সেপ্টেম্বর সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ৯ টার দিকে ‎হ্নীলা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডস্থ পশ্চিম পানখালী এলাকায় এঘটনা ঘটে।
আহতরা হচ্ছে ‎হ্নীলা পূর্ব পানখালী এলাকার আব্দুস সোবহান মাষ্টারের ছেলে ইকবাল (২৫), সাইফুল ও কামাল।
এদের মধ্যে ইকবালের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে হ্নীলা উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসার পর কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। তার পিটে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।
সরেজমিন পরিদর্শনে আহত পক্ষের অভিযোগে জানা যায়, তুচ্ছ ঘটনায় পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পর পূনরায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির ইন্ধনে পানখালী এলাকার নুরুল ইসলাম প্রকাশ কালাবাসির নেতৃত্বে সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়।
এর আগে সোবহান মাষ্টারের ছেলে ইকবাল ও কবির আহমদের ছেলে সাইফুলের মাঝে তর্কাতর্কির পর উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে সোবহান মাষ্টারের ছেলে ব্যবসায়ী আবসার উভয় পক্ষকে নিবৃত্ত করতে আপ্রান চেষ্টা করেন এবং উত্তেজিত দুই পক্ষকে সামাল দেন । পরিস্থিতি সামাল দিয়ে ফিরে আসার সময় পেছন থেকে নুরুল ইসলাম প্রকাশ কালাবাশির নেতৃত্বে আরফাত, নুর হোসেন, ওসমানসহ ৮/১০ জন সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এতে আবসার প্রানে রক্ষা পেলেও আবসারকে বাঁচাতে গিয়ে ইকবাল, কামাল ও সাইফুল আহত হন। এসময় হামলাকারী সন্ত্রাসীরা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষন করে ভীতি সঞ্চার করে।
এদিকে আবসার অভিযোগ করেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধির ইন্ধনে পানখালী এলাকার এতসময়ের শীর্ষ অপরাধী নুরুল ইসলাম প্রকাশ কালাবাশি আবারো বেপরোয়া হয়ে শান্ত পানখালী এলাকাকে অশান্ত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। এর আগেও তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতি, চুরি, বিদ্যুতের ট্রানফরমার চুরি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বহু মামলা হয়েছিল। মাঝখানে সে বিদেশে থাকাকালীন এলাকা শান্ত ছিল। এই সন্ত্রাসী গ্রুপের কারনে পুনরায় অশান্ত হয়ে পড়েছে পানখালী এলাকা।
এব্যাপারে তিনি স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এইচ.কে আনোয়ার বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখ জনক। তবে উভয়পক্ষকে শান্তিপূর্ন সমাধানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে কবির আহমদের পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছে বলে জানালেও তাদের কোথাও চিকিৎসা গ্রহনের তথ্য পাওয়া যায়নি।