ঈদের ৫ম দিনেও টেকনাফ সৈকতে পর্যটকের উপচে পড়া ভিড়

sea-beach-teknaf-copy.jpg

সাইফুল ইসলাম, টেকনাফ |
ঈদুল আযহার ৫ম দিনেও টেকনাফ সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দেশী- বিদেশী পর্যটকের উপস্হিতির পাশাপাশি ধর্ম, বর্ণ, দল, মত নির্বিশেষে সব শ্রেনি ও পেশার মানুষের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠে বাংলাদেশের অন্যতম দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতটি। গত চারদিনে সৈকতে যে অস্বাভাবিক পরিবেশ বিরাজমান ছিল তা অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসে আইন শৃংঙ্খলা বাহিনীর সবর উপস্হিতির কারনে। ১৭ সেপ্টেম্বর শনিবার টেকনাফ সৈকতে গিয়ে দেখা যায়, বিগত চারদিনে সৈকতে যে বখাটেদের উৎপাত ও বিভিন্ন যানবাহনের বিশেষ করে মোটর সাইকেলের দ্রুত বেগে এলোমেলো ঘুরপাক ছিল তা অনেকটা নিয়ন্ত্রনে চলে আসে টুরিষ্ট পুলিশসহ অন্যান্য আইন শৃংঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ টহলের কারনে। বখাটে ও বিভিন্ন ধরনের মোটরযানের উৎপাত নিয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে গতকাল ও আজ সংবাদ প্রকাশিত হয়। অবশেষে সংবাদ প্রকাশের পর স্হানীয় প্রশাসনের টনক নড়ে।
সৈকতে পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ বলেন, আজকে টেকনাফ সৈকতের পরিবেশ অন্যদিনের দিনের তুলনায় অনেকটা স্বাভাবিক মনে হচ্ছে। কারন সৈকতে যে মোটর সাইকেলের দ্রুত বেগে চলাচল ও কিছু কিছু বখাটে ছেলেদের কর্তৃক ইভটিজিং ছিল তা অনেকটা কম পরিলক্ষিত হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আজকের মত যদি অন্যান্য বিশেষ দিনে আইন শৃংঙ্খলা বাহিনীর উপস্হিতি থাকত তাহলে সৈকতে আসা পর্যটকরা বিভিন্ন বিড়ম্বনার শিকার হত না এবং সৈকতের পরিবেশও আরো সুন্দর থাকার পাশাপাশি সৈকতে দেশী- বিদেশী পর্যটকের আনাগোনা বাড়ত।

সৈকতে নিরাপত্ত্বার দায়িত্বে থাকা টুরিষ্ট পুলিশের উপ-পরিদর্শক কাজী গোলাম মহিউদ্দীন বলেন, পর্যটকরা যাতে পরিবার পরিজন নিয়ে সৈকতের সৌন্দর্য উপভোগ করে নিরাপদে বাড়ীতে ফিরতে পারে সে ব্যাপারে পুলিশের পাশাপাশি সচেতন মহলকেও সজাগ থাকা উচিত। তিনি আরো বলেন, এখন থেকে ঈদসহ বিশেষ দিবসে সৈকতে আসা পর্যটকের নিরাপত্তার জন্য টুরিষ্ট পুলিশের উপস্হিতি সবমসময় বিদ্যমান থাকবে।