হ্নীলা মৌলভী বাজারে পূর্ব শত্রুতার জেরধরে সংগঠিত হামলায় দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত

77888999000443322.jpg

সাদ্দাম হোসাইন, হ্নীলা |
হ্নীলায় দু‘পক্ষের মধ্যে পূর্ব শত্র“তার জেরধরে যানবাহন গতিরোধ করে হামলার চেষ্টার জেরধরে ফাঁকাগুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন মোটর সাইকেল পুড়িয়ে ছাঁই করে বসত-বাড়িতে ভাংচুর ও হামলায় চালিয়ে বৃদ্ধাসহ ২জনকে আহত করেছে। এসময় নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় এখনো উত্তেজনা বিরাজ করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়-গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ৯টারদিকে উপজেলার হ্নীলা মৌলভী বাজারের সোলতান আহমদ প্রকাশ চামড়া বাদশার পুত্র সাদ্দাম হোসাইন মোটর সাইকেলযোগে বাড়ি আসার পথে মৌলভী বাজার উত্তর ষ্টেশনে পৌঁছলে পূর্ব শত্র“তার জেরধরে কামাল উদ্দিনের পুত্র এহসান, নাছির,মৃত নুর আহমদের পুত্র আব্দুর রহিম বেলাল,দুদু মিয়ার পুত্র ফায়সাল প্রকাশ কালাইয়া ডাকাত,ছালেহ আহমদের পুত্র গিয়াস উদ্দিন,সোনা মিয়া,বশির আহমদের পুত্র নেওয়াজ উদ্দিন বাপ্পী,নুরুল আলমের পুত্র আবু রাসেদ,মাহমুদুর রহমানের পুত্র জুলফিকার,মনির,মৃত আবুল মনসুরের পুত্র মোস্তাফিজুর রহমানসহ একটি গ্র“প পূর্ব শত্র“তার কারণে গতিরোধ করার চেষ্টা করে। তখন সাদ্দাম প্রাণরক্ষার্থে ফাঁকাগুলি বর্ষণ করে আতংক সৃষ্টি করে মোটর সাইকেল ফেলে পালিয়ে যায়। এতে প্রতিপক্ষের লোকজন ক্ষুদ্ধ হয়ে সাদ্দামের ফেলে যাওয়া মোটর সাইকেলে অগ্নিসংযোগ করলে আগুনে পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়। এরপর মোটর সাইকেলে অগ্নিসংযোগকারীরা সংঘবদ্ধ হয়ে মৃত অছিউর রহমানের পুত্র সোলতান আহমদ প্রকাশ চামড়া বাদশার বসত-বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। এতে বাদশার মা জলিয়া খাতুন (৯০) ও ছেলে স্কুল ছাত্র আনোয়ার হোছাইন (১৫) আহত হয়। বাদশার স্ত্রী গুলজার বেগম অভিযোগ করেন হামলাকারীরা বাড়ির সব আসবাব পত্র ভাংচুর করে তছনছ করে এবং আলমারিতে থাকা নগদ ৫লক্ষ টাকা ও ১০ভরি স্বর্ণ লুট করে নেয়।
এই ব্যাপারে অভিযুক্ত পক্ষের মাহমুদুর রহমানের নিকট জানতে চাইলে বলেন,বাদশার ছেলে সাদ্দাম একজন সন্ত্রাসী ও অস্ত্রবাজ। সে প্রায় সময় সাথে চুরি রাখে। কথায় কথায় চুরিকাঘাত করায় এ পর্যন্ত ১০/১২জন লোক চুরিকাঘাত হয়েছে। এরই জেরধরে গতরাতে তাকে ধরতে চাইলে এই ঘটনার সুত্রপাত। তবে টাকা ও স্বর্ণ লুটের বিষয়টি অস্বীকার করেন।
স্থানীয় মেম্বার ফরিদুল আলমের নিকট জানতে চাইলে পূর্ব শত্র“তার জেরধরে দু‘পক্ষের মধ্যে গতিরোধ করে হামলার চেষ্টায় ফাঁকা গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এরপর মোটর সাইকেল পুড়ানো ও বসত-বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানান।
টেকনাফ মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই কাঞ্চন কান্তি দাশ বলেন-এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিই। বিভিন্ন পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য পাওয়া গেলেও প্রকৃত ঘটনা কি তদন্ত ছাড়া বলা যাচ্ছেনা। উভয়পক্ষকে থানায় আসতে বলা হয়েছে। তবে এই ঘটনা দ্রুত সমাধান না হলে আবারো বড় ধরনের সংঘাতের আশংকা রয়েছে বলে সচেতন মহল মনে করেন।