খাঁন মাহমুদ আইউব : সেনাবাহিনীর মেজর (অবঃ) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার দ্বীর্ঘ সাক্ষ্য গ্রহন শেষে যুক্তি-তর্ক শুরু হয়েছে।
রোববার (৯ জানুয়ারী) সকাল সোয়া ১০টায় মামলার প্রধান অভিযুক্ত টেকনাফ থানার বরখাস্ত সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ কারান্তরিন সকল আসামীর উপস্থিতিতে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাঈলের আদালতে যুক্তি-তর্ক শুরু হয়।
এর আগে গত ১ ডিসেম্বর আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে সাফাই সাক্ষ্য শেষে যুক্তি-তর্ক উপস্থাপনের জন্য ৯ থেকে ১২ জানুয়ারী দিন ধার্য্য করেছিলো আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট ফরিদুল আলম ‘বার্তা বাজার’কে জানান, গেলো বছরের ২৩ আগষ্ট এই হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা শুরু হয়। ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ৮৩ জন স্বাক্ষীর মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ৬৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহন করা হয়েছে। দ্বীর্ঘ স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে যুক্তি-তর্ক শুরু হলো। আগামী ১২ জানুয়ারী পর্যন্ত যুক্তি- তর্ক চলবে।
প্রসঙ্গত, গেলো ২০২০ সালে ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে টেকনাফ উপজেলার উপকূলীয় বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর পুলিশি তল্লাশী চৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর মেজর (অবঃ) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।
এ ঘটনার ৫ দিন পর ৫ আগস্ট সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশ সদস্যকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় লিয়াকত আলীকে। আদালত মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয় র্যাব-১৫ কে।
২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। দ্বীর্ঘ পর্যালোচনা শেষে গেলো বছর ২৭ জুন আদালত ওই মামলায় ১৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।
