টেকনাফ টুডে ডটকম :
টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক, সাবেক অনারারী ম্যাজিষ্ট্রেট, বৃহত্তর চৌফলদন্ডী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুল করিম (৮৬) ঢাকায় হলি ফ্যামেলি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ২৭ জুলাই সকাল ৮ টা ২৫ মিনিটের দিকে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মরহুম ছৈয়দ আকবর ও মরহুমা সামারুপ বেগমের পুত্র, অত্যন্ত মেধাবী ও চৌকষ গুণাবলী সম্পন্ন মরহুম ফজলুর করিম কক্সবাজার জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, বর্তমানে জেলা বিএনপির এক নম্বর উপদেষ্টা, ভারয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাচিত চেয়ারম্যান, কক্সবাজার শহরের বিমানবন্দর সড়কস্থ সৈকত উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের অবৈতনিক প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক, টেকনাফ পাইলট হাইস্কুল, কক্সবাজার শহরের পৌর প্রিপ্যারেরটরী হাইস্কুল, ভারুয়াখালী হাইস্কুল, টেকপাড়া আমেন খাতুন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসাবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি তাঁর গ্রামে ‘ফজল করিম মাস্টার’ নামে বহুল পরিচিত। অসাধারণ পান্ডিত্যের অধিকারী মরহুম ফজলুল করিম ১৯৩৯ সালের ৩০ সেপ্টম্বর জম্মগ্রহন করেন। ইংলিশ মিডিয়ামে কৃতিত্বের সাথে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করা মরহুম ফজলুল করিম ছিলেন তাঁর গ্রামের প্রথম গ্র্যাজুয়েট। মরহুম ফজলুল করিম ১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত কক্সবাজার আদালতে অনারারি ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে নিষ্ঠা ও সততার সাথে বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বৃহত্তর চৌফলদন্ডী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকাবস্থায় ১৯৭৫ সালের প্রথমদিকে ফজলুল করিম সহ আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের আমন্ত্রণে শেখ মুজিবুর রহমান চৌফলদন্ডীতে লবণ মাঠ পরিদর্শনে আসেন এবং সেখানে বিশাল জনসভায় বক্তৃতা করেন।
মৃত্যুকালে ফজলুল করিমের ৩ পুত্র, ৬ কন্যা ছিল। পুত্র সন্তানদের মধ্যে প্রথম পুত্র সরওয়ার করিম ব্যবসায়ী, দ্বিতীয় পুত্র এডভোকেট সাজ্জাদুল করিম কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের একজন সিনিয়র আইনজীবী ও কনিষ্ঠ পুত্র জিয়াউল করিম পেট্রো বাংলার উর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
রোববার ২৮ জুলাই সকাল সাড়ে ৮ টায় কক্সবাজার শহরের টেকপাড়া জামে মসজিদ মাঠে মরহুম ফজলুল করিমের প্রথম নামাজে জানাজা এবং ভারুয়াখালী দারুল উলুম মাদ্রাসা মাঠে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে মরহুমকে বানিয়াপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে মরহুমের মেঝ সন্তান এডভোকেট সাজ্জাদুল করিম জানিয়েছেন।
