ফরিদুল আলম : নয়াপাড়া শাল বাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড় হতে গুলিবিদ্ধ এক মহিলাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় উক্ত মহিলা মৃত্যুবরণ করার পর পরস্পর বিরোধী অভিযোগ উঠলেও আইন-শৃংখলা বাহিনীর একটি শক্তিশালী দল প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে কাজ করে যাচ্ছে।
জানা যায়,২২জুন দুপুরে উপজেলার নয়াপাড়া শাল বাগান পাহাড়ে গোলাগুলির শব্দ ও কান্নার আওয়াজ শুনে স্থানীয় রোহিঙ্গারা হিল্লাল্লাহ পাহাড় হতে ডি-বøকের এমআরসি নং-১৯৮০৫, শেড নং-৭৭১, রোম নং-২ এর বাসিন্দা ছালেহ আহমদ ফকিরের স্ত্রী রহিমা (৩২)কে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে। তাকে দ্রæত উদ্ধার করে ক্যাম্প হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায় বলে স্বামী নিশ্চিত করেন। তার মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
এই ব্যাপারে নিহতের স্বামী ছালেহ আহমদ ফকির দাবী করেন, সি-বøকের মোঃ সালামের পুত্র হাসান আলী প্রকাশ কমিটি হাসান, সোলতান আহমদের পুত্র মোঃ ইসমাঈল, দিল মোহাম্মদের পুত্র সরওয়ার, ই-বøকের মোঃ সালামের পুত্র ছৈয়দ করিমসহ স্বশস্ত্র একটি গ্রæপ এই ঘটনা ঘটিয়েছে।
হাসানের নিকট জনের দাবী,ডাকাত দলের ভয়ে সে দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পের বাইরে। বিশেষ কোন মহল নিহতের স্বামীকে প্ররোচিত করে তাকে জড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।
নির্ভরযোগ্য কয়েকটি সুত্রের দাবী, গত ২দিন আগে নিহত রহিমার সুদর্শনা যুবতী শাবনুর (১৬) কে বিয়ের প্রস্তাব দেন। শাবনুরের মা উক্ত ব্যক্তিকে বিয়ে দিতে রাজি হয়নি। ঘটনার দিন সকালে খতিজা পাহাড়ে ছাগলের খামারে কর্মরত অবস্থায় দূর্বৃত্তরা গুলি করে পালিয়ে যায়। গোলাগুলির শব্দ ও কান্না শুনে প্রতিবেশী রোহিঙ্গারা তাকে উদ্ধার করে।
তবে ক্যাম্পে নিয়োজিত নিরাপত্তা ও আইন-শৃংখলা রক্ষী বাহিনীর শক্তিশালী একটি দল এই নৃশংস ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে কাজ করে যাচ্ছে জানা গেছে।
