মোঃ আশেকউল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ :
সাবরাং ও টেকনাফ এ দুইটি ইউনিয়নের সমূদ্র উপকূলীয় এলাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে আহরিত মৎসের আড়ালে ইয়াবার চালান খালাস হচ্ছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রের এ তথ্য পাওয়া গেছে।
সূত্র মতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার দুদেশের সমূদ্রের জলসীমানায় ইয়াবা জেলেদের মাধ্যমে হাতবদল হয়ে কৌশলে চলে আসছে।
সম্প্রতি টেকনাফ সাগর উপকূল পরিদর্শনে গেলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন জেলে জানায়, সাবরাং ও টেকনাফ এ দুই উপকূলীয় ইউনিয়নে যে, ক’টি মৎস্য আহরনের ঘাট রয়েছে, তার মধ্যে সাবরাং শাহপরীরদ্বীপের ঘোলার পাড়া ঘাট, কাটাবনিয়া ঘাট, মুন্ডারডেইল ঘাট, বাহারছড়া ঘাট, টেকনাফ মহেশখালীয়াপাড়া ঘাট ও হাবির ছড়া ঘাট হচ্ছে, ইয়াবা খালাসের নীরব ঘাট।
মিয়ানমার ও বাংলাদেশ এ দুদেশের জেলেরাই হচ্ছে, ইয়াবা পাচারের একমাত্র মাধ্যম। দুদেশের সীমান্ত পর্যায়ে ইয়াবা সিন্ডিকেট এর নিয়ন্ত্রন করছে এবং জেলেদের কমিশন দিয়ে ইয়াবা মিয়ানমার থেকে নিয়ে আসছে।
ইতিপূর্বে সমূদ্র উপকূল এবং গভীর সাগরে কোষ্টগার্ড বিজিবি ও র্যাব পৃথক অভিযানে ফিশিংবোট এবং ইয়াবার বড় ধরনের চালানসহ পাচারকারী আটক করেছিল। এর মধ্যে অনেকেই টেকনাফ সদর ইউনিয়নের লেঙ্গুরবিলের মৎস্যজীবি জেলে । ইয়াবা আটকে কয়েকমাস যেতে না যেতেই ফের ইয়াবা প্রবেশ, পাচার এবং ব্যবসা অব্যাহত রয়েছে।
সমূদ্র উপকূল দিয়ে আসা ইয়াবার চালান, রাজারছড়া, মিঠাপানিরছড়া, কচুবনিয়া পাড়া ও হাদুরছড়ায় মওজুদ হয়।
পরবর্তীতে পরিবহন ট্রাক ও যানবাহনের আড়ালে পাচার হয়ে যায়। ইয়াবা ব্যবসার বদৌলতে উপকূলীয় এলাকায় আলিশান ইমারত গড়ে উঠেছে। যাহা কল্পনাতীত। স্থানীয় কতিপয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক দলের নেতারা এর আশ্রয় দিয়ে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
