মোহাম্মদ মোবাশশ্বির ইসলাম : ৪৯বছরে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ; ঐতিহ্য ধরে রেখে সামনে চলার চ্যালেঞ্জ সৌদি আরব মক্কা মহানগর আওয়ামী যুবলীগ। স্বদেশ উপকারে নাই যার মন, কে বলে মানুষ তারে পশু সেইজন। সুদূর প্রবাসে থেকে সততা এবং ন্যায় নিষ্টতায় কর্মবান্ধব নেতা জকির আলম জিকুকে মূল্যায়নের দাবী রাখছি সংশ্লিষ্টদের প্রতি।
আওয়ামী যুবলীগের ৪৯ বছরে পর্দাপন করতে যাচ্ছে (১১ নভেম্বর)। ১৯৭২ সালের দেশের প্রথম ও সর্ববৃহৎ এই যুব সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন। লক্ষ্য ছিল বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করা। অতীত ঐতিহ্য ধরে রেখে সামনের পথ চলাই এখন এই সংগঠনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ উত্তরণে বর্তমানে সংগঠনটির নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনির ছেলে শেখ ফজলে শামস পরশ। সে যুবলীগকে তৃণমূলে সুসংগঠিত এবং প্রতিষ্ঠিত করতে মধ্য প্রচ্যের দেশ সৌদি আরব পবিত্র নগরী মক্কা মহানগর আওয়ামী যুবলীগকে ঐক্যবদ্ধ করতে যার অক্লান্ত পরিশ্রম আমি আজ তার কথাই বলছেন অত্র সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি জকির আলম জিকু ভাই।

জন্ম হোক যথাযথ কর্ম হউক ভাল এই বাক্যকে ধারণ করে যিনি বিগত ৭টি বছর যাবৎ দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপান্তর করতে নেত্রীর হাতধরে ঐতিহ্যবাহী সংগঠনকে গুছিয়ে আনতে যে ব্যক্তিটি আজ প্রবাসে প্রত্যেক আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে যিনি দেশরত্ন শেখ হাসিনা কর্মসূচী বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছেন তিনি হচ্ছে জাকির_আলম_জিকু ভাই। আমার নীতি নৈতিকতায় বিশ্বাস করি তিনি একজন উপমহাদেশে ঐতিহ্যবাহী সংগঠনের যোগ্য নেতৃত্ব অধিকারী ব্যক্তি। আমার জানামতে সৌদি আরবে সরকার করোনাভাইরাস এবং সরকারী বিধিনিষেধ আইনজারী করার কারণে সীমিত পরিসরে কর্মসূচী ডাক দেন। এবং তার হাতে গড়া শত শত কর্মী আজ বিনা খরচে তার ডাকে সাড়া দেয় আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের অনুষ্ঠানে হাজির হয়।
আমি বিশ্বাস করি কেন্দ্রীয় যুবলীগ সৌদি আরব মক্কা মহানগর যুবলীগের কর্মী জাকির হোসেন জিকুর মত যোগ্য কর্মীকে ভবিষ্যতে যথাযথ সম্মান করবে। কারণ হালাল রুজি টাকা ব্যয় করে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা দেওয়া নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছেন নিয়মিত। গত ৭ টি বছর যাবৎ।
এবার আসল কথায় আসি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে শেখ ফজলুল হক মণির নেতৃত্বে ১৯৭২ সালের ১১ নভেম্বর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক যুব কনভেশনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা লাভ করে সংগঠনটি। গত চার দশকের বেশি সময় ধরে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম এবং হাজারো নেতাকর্মীর আত্মত্যাগের মাধ্যমে যুবলীগ দেশের সর্ববৃহৎ যুব সংগঠনে পরিণত হয়েছে।
যুবলীগের প্রতিষ্ঠা ও গৌরবজ্জ্বল ইতিহাস যুবলীগের প্রতিষ্ঠা পটভূমিতে জানা যায়, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু একদিন শেখ মণিকে বলেন, ছাত্রজীবন পেরিয়েছে, অথচ যৌবন পেরোয়নি। এরকম বহু যুবক এখন আদর্শহীন, লক্ষ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এরা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছে। এখন অলস ও অকর্মণ্য জীবনে লক্ষ্যহীন হয়ে তারা ঘুরে বেড়াচ্ছে। নানা উচ্ছৃঙ্খল কাজে জড়িত হচ্ছে। এদের মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে দেশ ও জাতি গঠনের কাজে লাগাতে পারলে একটি যুবশক্তি তৈরি হবে, যে শক্তির ভেতর থেকে দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব বেরিয়ে আসবে। দেশ ও সমাজের ভবিষ্যতের রূপকার হবে এই যুব সমাজ।
পরে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে শেখ ফজলুল হক মনি এই যুব সমাজকে সংগঠিত করতেই গড়ে তোলেন যুবলীগ। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই সংগঠনটি একটি শক্তিশালী যুব প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। প্রথম চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন শেখ মণি নিজেই। স্বাধীনতার পর যুবলীগ জিয়া-এরশাদ-খালেদার স্বৈরাচারী শাসনামলেও অকুতোভয়ে সংগ্রাম করেছেন, নির্যাতিত হয়েছেন এই ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা। দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ও রক্ষায় সংগঠনটির অবদান অনস্বীকার্য।
ভাবমূর্তির সংকট ও ‘স্বচ্ছ’ নেতৃত্বে ফিরে আনতে জাকির হোসেন জিকু মত যোগ্য কর্মী যুবলীগের দরকার বলে মনে করি আমি। টানা তিন মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় রয়েছে তবু জিকু ভাইয়ের মত লোক কখনো ক্ষমতা অপব্যবহার করার মত চিন্তা শক্তি মনোবল নেই তার। অনেক নেতা যুবলীগ পরিচয় দিয়ে দেশে ধান্দা কাজে জড়িত।
আমি বিশ্বাস করি যোগ্য এবং ত্যাগী কর্মীকে কেন্দ্রীয় যুবলীগ সম্মান করবে ইনশাআল্লাহ।
মোহাম্মদ মোবাশশ্বির ইসলাম
(প্রচার সম্পাদক)
বাহারছড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগ টেকনাফ।
(সাবেক সিঃ সদস্য)
বাহারছড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগ টেকনাফ।
সাংগঠনিক সম্পাদক (সাবেক)
প্রচার সম্পাদক (সাবেক)
বাহারছড়া ইউনিয়ন ৩নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ।
(নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক)
বাহারছড়া ইউনিয়ন ইয়ুং ফোরাম কমিটি।
