সংবাদ বিজ্ঞপ্তি : ১৭ মার্চ ২০২১ খ্রি. টেকনাফস্থ মঈন উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপিত হয়। এ উপলক্ষে সকাল ৮ টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।
এরপরই বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রভাষকবৃন্দ, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যগন, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ ।পর পরই শুরু হয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান – ক্রিকেট ম্যাচ,বাস্কেটবল, মিউজিকাল চেয়ার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি। পরে ভার্চুয়ালি কানেক্টেড হয়ে বক্তব্য রাখেন মঈন উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজ ট্রাস্টের সম্মানিত সেক্রেটারি , বিশিষ্ট শিল্পপতি হেলাল উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন -‘১৯২০ সালের ১৭ মার্চ তদানীন্তন ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়ায় সম্রান্ত মুসলিম পরিবারে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম গ্রহণ করেন । তাঁর বাবা শেখ লুত্ফর রহমান এবং মাতা সায়েরা খাতুন। চার বোন, দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়।’
তিনি আরো বলেন -‘বঙ্গবন্ধু স্কুল জীবন থেকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। তিনি ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ’৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ’৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৬-এর ছয়দফা আন্দোলন, ’৬৯-এর গণ- অভ্যুত্থান পেরিয়ে ’৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা হিসেবেন প্রতিষ্ঠিত হন।’
পরে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে আলোচনা সভায় অংশ গ্রহণ করেন মঈন উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজ ট্রাস্টের সম্মানিত চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন, প্রফেসর ড.ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন-‘বঙ্গবন্ধুর শত জন্ম বার্ষিকী নিছক জন্মদিন পালন নয়, বাঙালীর কাছে তাদের মুক্তিদাতার প্রতি সম্মান জানানোর বিরল সুযোগের দিন। বঙ্গবন্ধু কারো দলের বা গোষ্ঠির নয়, তিনি ছিলেন বাঙালী জাতির অবিসংবাদিত নেতা। তিনি শুধু বাংলাদেশের নয় বিশ্বের মুক্তিকামী, স্বাধীনতাকামী মানুেষর নেতা ছিলেন । তাঁর জীবদ্দশায় তিনি শোষিতের নেতা হিসেবে সারা বিশ্বে পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন। ফিদেল ক্যাস্ট্রোর মতো বিশ্বনায়কের চোখেও তিনি ছিলেন হিমালয়। বিশ্ব মিডিয়ায় তিনি ছিলেন ‘রাজনীতির কবি’হিসেবে নন্দিত।’ আজকের এই দিনকে শিশু দিবস হিসেবেও পালন করার যৌক্তিক কারণ তুলে ধরেন।তিনি বলেন -‘বঙ্গবন্ধু শিশুদের খুব ভালো বাসতেন, শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য অনেক অবদান রেখে গেছেন তাই এই দিনকে শিশু দিবস হিসেবে পালন করা হয়।’ পরিশেষে বঙ্গবন্ধুসহ সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন হাজী এমদাদ উল্লাহ।
