বিশেষ প্রতিবেদক : টেকনাফের হ্নীলা নাইক্ষ্যংখালীতে মাদকের চালান খালাস করে মওজুদের খবরের ভিত্তিতে বসত-বাড়িতে তল্লাশী চালিয়ে র্যাব-১৫ এর আভিযানিক দল ১জনকে আটক করেছে। এসময় একজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও তদন্ত স্বাপেক্ষে উক্ত এলাকার ৪০জনের মাদক সিন্ডিকেটের সদস্যদের আইনের আওতায় আনার দাবী উঠেছে।
কক্সবাজার র্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আবু সালাম চৌধুরী জানান, গত ২০জুন দুপুর পৌনে ১২টারদিকে কক্সবাজার র্যাব-১৫ (সিপিএসসি) এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফের হ্নীলা মৌলভী বাজার অইর পাড়ায় কতিপয় ব্যক্তি ইয়াবা ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য অবস্থানের খবর পেয়ে অভিযানে যায়। অভিযানকালে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে মোঃ সেলিমের পুত্র মোহাম্মদ ফারুক (২৮) কে গ্রেফতার করে। এসময় আরো একজন মাদক কারবারী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক জিজ্ঞাসাবাদের পর আটক ব্যক্তির বাড়ী তল্লাশী করে বসত-ঘরের শয়ন কক্ষের দক্ষিণ-পূর্ব কোনায় সিলিংয়ের উপরে বিশেষ কায়দায় লুকায়িত ১লাখ ৮০হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
ল এন্ড মিডিয়া কর্মকর্তা আরো জানান, উদ্ধারকৃত ইয়াবাসহ ধৃত মাদক কারবারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লিখিত এজাহার দাখিলের পর টেকনাফ মডেল থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সুত্রমতে উক্ত এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারী মাজেদ, জুহুর আলম, দিলু, দেলোয়ার, সোনা মিয়া, নয়ন, রবি আলম-১, ফরিদ, আবছার, নুর হোছন, কালাইয়া, রবি আলম-২, পুতিয়া, নুরুল আলম, বেলাল, বিকাশ ব্যবসায়ী, দোকানদার, স্থানীয় বেকার যুবক ও প্রভাবশালীদের নিয়ে ৪০জন সদস্যবিশিষ্ট মাদক কারবারী সিন্ডিকেট গড়ে উত্তর হোয়াব্রাং, নাইক্ষ্যংখালী সুলিশ, মুজিববর্ষের আশ্রয়ন কেন্দ্র পয়েন্ট হতে এই চক্রের সদস্যরা বড় বড় মাদকের চালান খালাস করে। তারা মাদকের এই চালান হ্নীলা ষ্টেশনের কয়েকজন বড় মাদক কারবারী, পানখালী, আলী আকবর পাড়া, মরিচ্যাঘোনা এবং হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কম্বনিয়া পাড়া, পশ্চিম মহেশখালীয়া পাড়া, খারাংখালী এলাকার চুক্তিকরা মাদক কারবারীদের সরবরাহ করে থাকে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকার বেকার যুবক, নারীকে গোপনাঙ্গে করে পাচারের জন্য চুক্তি ভিত্তিক কক্সবাজার, চকরিয়া, চট্টগ্রাম, ফেনী, কুমিল্লা, নারায়নগঞ্জ, ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে প্রেরণ করে। এই চক্রের মাদকের চালান নিয়ে অনেক নারী-পুরুষ এখনো কারাগারে মানবেতর দিন যাপন করছে। ####
