টেকনাফ টুডে ডেস্ক : হ্নীলা চৌধুরী রাখাইন পল্লীতে এক স্বর্ণাকারের বাড়িতে লুটপাটের চেষ্টা চালিয়েছে দূবৃর্ত্ত দল। পারিবারিক সদস্যদের সক্রিয়তার ফলে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও জনতার সহায়তায় দূবৃর্ত্তদলকে ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে ধাওয়া করলে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে।
ভূক্তভোগী পরিবার সুত্র জানায়,১৭ফেব্রুয়ারী রাতের প্রথম প্রহরের দিকে হ্নীলা চৌধুরী পাড়া রাখাইন পল্লীর সুবল ধরের পুত্র বিশিষ্ট স্বর্ণাকার অজিত ধরের বাড়িতে আকস্মিক ঘেরা-বেড়া ভাঙ্গার আওয়াজ শুনতে পায় বাড়িতে থাকা অজিত ধরের পুত্র রিমন ধর, রিগ্যান ধর এবং সোনা রাম ধরের পুত্র রতন ধর। তারা বিষয়টি আমলে নিয়ে পর্যবেক্ষণ করতে থাকে। কিছুক্ষণ পর ৬/৭জন অজ্ঞাতনামা লোকের উপস্থিতি টের পেয়ে হ্নীলা কেন্দ্রীয় কালী মন্দিরে মহোৎসব পালনরত পিতা অজিত ধরকে ফোনে অবহিত করে। তখন পুঁজা মন্ডপে উপস্থিত হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলীর নিকট অজিত ধর পরিবার-পরিজন ও সম্পদ বাঁচাতে সহায়তা কামনা করেন। তখন চেয়ারম্যান বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করার পর মসজিদ-মন্দিরের মাইকে ঘোষণা করে এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে গভীর রাতে চৌধুরী পাড়া গ্রামে যায়। তখনো দূবৃর্ত্ত দল বীরদর্পে অবস্থানে থাকে। শেষ পর্যন্ত ইউপি চেয়ারম্যান দূবৃর্ত্তদলকে হঠানোর জন্য নিজের ব্যবহৃত লাইসেন্স করা বন্দুক থেকে পর পর ৬ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করলে দূবৃর্ত্ত দল নিরুপায় হয়ে লবণ মাঠ বেয়ে দক্ষিণ দিকে পালিয়ে যায়। এরপর দূবৃর্ত্ত দলের কবলে পড়া পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।
এই ব্যাপারে বাড়ির মালিক অজিত ধর বলেন,আমার এই চরম বিপদে স্থানীয় চেয়ারম্যান এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে এগিয়ে আসায় সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী বলেন,আল্লাহর রহমতে আমি যতদিন হ্নীলা ইউপির চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছি ; ততদিন দিন-রাত্রি সুখে-দুঃখে আপনাদের পাশে থাকব। এলাকায় একবার যেহেতু এই জাতীয় ঘটনা ঘটছে আগামীতেও ঘটার আশংকা রয়েছে। তাই আমি পুরো ইউনিয়ন বাসীকে সজাগ থাকার জন্য আহবান জানাচ্ছি। ###
