বিশেষ প্রতিবেদক : হ্নীলায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়ি পাদদেশে অবস্থিত এমএইচবি ব্রিকফিল্ডটি সরকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জনস্বাস্থ্যের হুমকির মধ্যদিয়ে প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় চলছে। প্রতিযোগিতামূলক সরকারী নিয়ম বহি:ভূত এসব ব্রিকফিল্ড দ্রæত বন্ধ করার জন্য সরকারের উর্ধ্বতন মহলের দ্রæত হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
স্থানীয়রা জানায়,হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় অবস্থিত এমএইচবি ব্রিকফিল্ড দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই পরিচালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে পশ্চিম লেদার মৃত হাজী আবুল কাশেমের পুত্র নুরুল কবির এই ব্রিকফিল্ড ক্রয় করে বাণিজ্যিকভাবে ইট তৈরী করছে। মালিকপক্ষ নিজেরাই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য আলীখালীস্থ এএনবি ব্রিকফিল্ডের ইট এনে এখানে তৈরী করছে।
এসব ব্রিকফিল্ডের কারণে পাশর্^বর্তী বন এমনিতে উজাড় হয়ে গেছে। এখন মাটির জন্য কাটা হয় পাহাড় এবং টিলা। সরকারী খাল ও ছরাায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আনা হয় পানি। ব্রিকফিল্ডের চুল্লির ধোঁয়া ও নানা প্রভাবে রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় জনসাধারণের স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। তাই এই ব্রিকফিল্ডের ব্যাপারে শীঘ্রই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী উঠেছে।
লেদা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য আব্দুস শুক্কুর জানান,এসব ব্রিকফিল্ডের ধূলা-বালি ও ধোঁয়ার কারণে কোমলমতি শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে।
জানতে চাইলে টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আবুল কালাম সর্দার বলেন,পানি চলাচলের ছড়া বন্ধ করে ব্রিক ফিল্ডে ব্যবহার করা যাবেনা। এ ছড়ার পানি কাউকেও বিক্রি করার কোন সুযোগ নেই। বন আইন অমান্যকারী উক্ত ব্রিকফিল্ড পরিচালনাকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শেখ নাজমুল হুদা বলেন,ওই ব্রিকফিল্ডের ছাড়পত্র অনেক আগেই বাতিল করা হয়েছে। পরিবেশের ছাড়পত্র ছাড়া ব্রিকফিল্ড পরিচালনা করার কোন সুযোগ নেই। অন্য ব্রিকফিল্ডের ডকুমেন্ট দিয়েই বেআইনিভাবে ইটভাটা চালালে পরিবেশ আইনে মামলা দায়ের পূর্বক সংশ্লিষ্ট মালিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ###
