সাদ্দাম হোসাইন : হ্নীলা বাসষ্টেশনের হার্ডওয়ার দোকানের কর্মচারী গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্নহননের ঘটনায় পোস্টমর্টেম শেষে মৃতদেহ গ্রামের বাড়িতে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
জানা যায়,৩১মার্চ বাদে মাগরিব লোহাগাড়ার চুনতি ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের রৌশংগ্যাঘোনা এলাকার স্থানীয় গোরস্থানে জানাজা শেষে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে বলে দোকান মালিক ছেহের মিয়া নিশ্চিত করেন।
উল্লেখ্য,গত ৩০মার্চ রাত সাড়ে ৯টারদিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা বাসষ্টেশনের জামাল মার্কেটের ছেহের মিয়ার মালিকানাধীন হার্ডওয়ার দোকানের কর্মচারী চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের রৌশংগ্যাঘোনা এলাকার বাসিন্দা মৃত আব্দুল করিমের পুত্র মোঃ আরমান (২৩) কে গলায় ফাঁস লাগানো ছুলন্ত অবস্থায় দোকান হতে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে পরিচিত সবার সাথে তার সম্পর্ক ভাল ছিল। কেন সে এই ধরনের ন্যাক্কারজনক মর্মান্তিক মৃত্যুর পথে পা দিলেন তা কেউ বুজে উঠতে পারছেনা। তাই এই অপমৃত্যু নিয়ে জনমনে নানা ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
বিষয়টি টেকনাফ মডেল থানা পুলিশকে অবহিত করা হলে (ওসি অপারেশন) আব্দুর রাজ্জাক এবং এসআই ফায়সালের নেতৃত্বে পৃথক ২টি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এরপর আতœহননের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং দোকানের সিসিটি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ এবং পাশর্^বর্তী লোকজনের সাথে কথা বলার পর মৃতদেহ উদ্ধার করে পোস্টমর্টেমের লক্ষ্যে মর্গে প্রেরণের জন্য থানায় নিয়ে যায়। সকালে মৃতদেহ কক্সবাজার মর্গ হতে পোস্টমর্টেম শেষে ঐ দোকান কর্মচারীর মৃতদেহ গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়। সেখানেই তাকে দাফন করা হয়েছে।
দোকান মালিক ছেহের মিয়া জানান, সে গত ৩/৪ বছর ধরে নিজের ছেলের মতো দোকানে রয়েছে। তার কাছে কোন ধরনের খারাপ আচরণ পায়নি বলে দোকানের সবকিছু তার হাতেই ছিল। ঘটনার সময় আমি বাহিরে ছিলাম। কি কারণে এই ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনার আশ্রয় নিল তা বলতে পারছিনা। ###
