সাবরাংয়ের ইয়াবা মামলায় পলাতক আসামী করা প্রসঙ্গে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৮ years ago

: গত ১৮ জুলাই দৈনিক দেশ-বিদেশসহ স্থানীয় বেশ কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত টেকনাফের সাবরাং সিকদার পাড়া এলাকায় পুলিশের অভিযানে ৬০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ এবং ঘটনার সাথে ৩ জনকে সন্দেহ জনক পলাতক আসামী করা শীর্ষক সংবাদখানা আমাদের দৃষ্ঠি গোচর হয়েছে। সংবাদের একাংশে ইয়াবা মামলায় আমাদেরকে পলাতক আসামী হিসাবে দেখানো হয়েছে। এর সাথে সংশ্লিষ্ট থাকাতো দুরের কথা, ইয়াবার সাথে দুরতম সম্পর্কও আমাদের নেই। প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে জানতে পারলাম, পুলিশের জব্দকৃত ইয়াবার সাথে আমাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ প্রসংগে আমাদের বক্তব্য, আমরা মূলতঃ বৈধ ব্যবসায়ী হই। ইতিপূর্বে আমরা যাই করিনা কেন? বর্তমানে আমরা ইয়াবা ব্যবসাকে মনে প্রাণে ঘৃনা করি এবং প্রতিজ্ঞা করেছি যে, ভবিষ্যতে ইয়াবা ব্যবসা থেকে মুক্ত হয়ে বৈধ ব্যবসার মনোনিবেশ করব। এমন আমাদের প্রত্যাশা। কিন্তু এর পরও আমাদেরকে ভাল থাকতে দিচ্ছেনা, স্থানীয় কিছু কুচক্রী মহল। আমাদের সৎ জীবন যাপন এবং স্থানীয় যুব সমাজকে ইয়াবা নামক কলংক থেকে বাঁচাতে চেষ্ঠা করলে কিছু দালাল এবং কুচক্রীমহল এর প্রতি ঈর্শান্নিত হয়ে আমাদেরকে বেকায়দায় ফেলতে আইন শৃংখলা বাহিনীকে আমাদের নাম সরবারহ করে আসছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রকৃত পক্ষে পুলিশ ঐদিন গোপন সংবাদের ভিক্তিতে সাবরাং সিকদার পাড়া এলাকার বাগান থেকে পরিত্যাক্ত অবস্থায় ৬০ হাজার পিস ইয়াবা বড়ি জব্দ করে। ঐ সময় অর্থাৎ ঘটনাস্থল থেকে কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনী। অথচঃ পুলিশ এ ঘটনায় আমাদেরকে ইয়াবা মামলায় সন্দেহজনক মামলায় পলাতক আসামী করে ৩ জনকে পলাতক আসামী করে মামলা রুজু করে। এর মধ্যে আমরা ২জন টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মৌলভী পাড়ার হাজী ফজল আহমদের পুত্র একরাম হোসেন এবং নাজির পাড়ার ইসলাম মিয়ার পুত্র জিয়াউর রহমান। ঘটনাস্থল থেকে আমাদের এলাকার দুরত্ব প্রায় ৩ কিলোমিটার। এতো দুরতম এলাকাায় আমাদেরকে ইয়াবা মামলায় পলাতক আসামী করা একটি সদুর প্রসারী ও উদ্দেশ্যমূলক ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়। হাজী ফজল আহমদ এবং ইসলাম মিয়া এ ঘটনার প্রতিবাদে জানায়, আমাদের ছেলেরা বর্তমানে বৈধ ব্যবসার সাথে জীবন যাপন করছে। ইয়াবা ব্যবসার সাথে বর্তমান ও ভবিস্যতে যাতে জড়িত না হয়, সে ব্যাপারে কঠোর নিদের্শ দেয়া আছে। সুতারাং আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস তারা এর সাথে দুরতম সম্পর্ক নেই। অতএব প্রকাশিত আংশিক সংবাদ এবং ইয়াবা মামলায় পলাতক আসামীর প্রতি বিভ্রান্ত না হতে আইন শৃংখলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আমাদের বিশেষ অনুরোধ রইল।

প্রতিবাদকারী
১। একরাম হোসেন
পিতা- হাজী ফজল আহমদ
সাং- মৌলভী পাড়া
২। জিয়াউর রহমান
পিতা- ইসলাম মিয়া
সাং- নাজির পাড়া, টেকনাফ সদর ইউনিয়ন।