Monday, January 17, 2022
Homeটপ নিউজশ্রমিক সংকটে দুংশ্চিন্তায় কৃষক

শ্রমিক সংকটে দুংশ্চিন্তায় কৃষক

মুহাম্মদ জুবাইর, টেকনাফ ॥
ফসলের মাঠে হাওয়ায় দোলানো বোরোর সোনালী শিষে কৃষকের মনে প্রশান্তি দেখা দিলেও শ্রমিক সংকটের মুখে মহা অশান্তিতে দিনাতিপাত করছে কৃষক। মাঠের পর মাঠ জুড়ে পাঁকা ধান কাটা নিয়ে কৃষকরা ছুটাছুটি করেও শ্রমিক সংকটে হতাশায় ভুগছেন কৃষকরা।একদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্ভাবনা অন্য দিকে শ্রমিক সংকটের কারণে সময়মত সোনার ফসল আমন ধান ঘরে তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। জমিতে পাকা ধান থাকলেও ঘরে তুলতে পারছেন না শ্রমিক সংকটে।ঝড়-বৃষ্টির ভয়ে পাকা ধান ঘরে তুলতে কৃষকরা কাটামাড়াই পুরোদাম শুরু করলেও শ্রমিক সঙ্কটে আমন ধান কাটামাড়াই ব্যহত হচ্ছে।

কৃষকরা জানান, প্রতিবছর এই সময়ে আমন ধান কাটতে পাশ্ববর্তি বিভিন্ন এলাকা থেকে শ্রমিকরা দলবেঁধে আসতেন। তবে এবার শ্রমকরা ধান কাটতে না এসে অন্য কাজ করছেন। ধান কাটা কাজের চেয়ে অন্য কাজে লাভ বেশী হওয়ায় তারা ধান কাটার কাজে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না । বর্তমানে শ্রমিকের যে দাম তাতে খরচের টাকাও উঠবেনা। অপর দিকে শ্রমিকের অভাবে পাকা ধান ঘরে তুলতে পারছিনা। মাঠে পড়ে থাকা পাঁকা ধান নিয়ে শঙ্কায় ভুগছেন অনেকে। সেই ধান পেকে মাঠে পড়ে রয়েছে। দ্রুত ঘরে তোলা দরকার। কিন্তু শ্রমিক সংকটের কারণে পাঁকা ধান ঘরে তুলতে পারছেন না।

বটতলী বাজার এলাকার কয়েকজন শ্রমিক বলেন, বিগত বছরে আমাদের এলাকার শ্রমিকরা ধান কাটত। তবে এখন কেউ সে কাজে আগ্রহ দেখাচ্ছেনা। ধান কাটার চেয়ে অন্য কাজে বেশী লাভবান হওয়ায় এবছর শ্রমিকরা ধান কাটতে চাচ্ছে না।

উল্লেখ্য ১০হাজার ৮শ ২৫ হেক্টর জমি চাষাবাদের কথা থাকলেও বেড়িবাঁধের ভাঙ্গনে ৫হেক্টর জমিতে চাষ করা সম্ভব হয়নি,তবে চাষাবাদ হয়েছে ১০হাজার ৩শ২৫হেক্টর জমিতে বলে কৃষি অফিস সুত্র জানা যায়।

উপজেলা কৃষি অফিসার শহিদুল ইসলাম বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে না হলে আরো কয়েকদিন জমিতে ধান থাকলে তা ঝরে পড়বে না। তবে শ্রমিক সংকট দুর করতে এলাকার কৃষকদের যৌথ উদ্যোগে ধান কাটা মাড়াই মেশিনের ব্যবস্থা করতে পরামর্শ দেন।

RELATED ARTICLES

Most Popular

Recent Comments