Thursday, January 20, 2022
Homeটপ নিউজশিশুর দুধ দাঁত হলে কী করবেন

শিশুর দুধ দাঁত হলে কী করবেন

টেকনাফ টুডে ডেস্ক |
শিশুর সাত মাস বয়সের পর থেকেই মাড়িতে ছোট্ট ছোট্ট দুধ দাঁত গজাতে শুরু করে। শিশুর দুধ দাঁত উঠতে দেখে আনন্দ পান প্রতিটি বাবা-মা। কিন্তু শুধু আনন্দ পেলেই হবে না, এ দাঁতের সঠিক যত্নও তো নিতে হবে।

এখন হয়তো আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে শিশুর দুধ দাঁতের আবার যত্ন কিসের?

শিশুর দাঁতের সমস্যার উপসর্গ : শিশুর দুধ দাঁত গজানোর সময় কিছু বিপত্তি ঘটে। শিশুদের এসময় মাড়ি শিরশির করে এবং ব্যথা হয়। কখনো তাদের জ্বরও হতে পারে। এসময় তারা সামনে যা পায় তাই কামড়াতে চেষ্টা করে।

শিশুরা যখন দাঁত দিয়ে কামড়াতে শেখে, তখন যত্ন না নিলে তাদের দাঁতের মাড়ির সমস্যা দেখা দিতে পারে। এসময় মাড়িতে ঘা হয়, দাঁত ব্যথায় অস্থির হয়ে ওঠে, শিশুর অনিদ্রার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

শিশুর দুধ দাঁতের যত্ন :

* শিশু দুধ দাঁতের যত্নে বা মাড়ির শিরশির ব্যথা কমাতে তুলায়/পাতলা কাপড়ে ঠাণ্ডা পানিতে ভিজিয়ে মাড়ি মুছে দিতে হবে। এতে সে আরাম পাবে। শিশুর এক বছর বয়স পর্যন্ত এমনটা করা যেতে পারে।

* এসময় শিশুর কান্নাকে থামাতে অনেকে চুষনি বা কামড়ানোর জন্য প্লাস্টিকের খেলনা দিয়ে থাকেন। এটা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।

* এসময় শিশুরা যে সব খেলনা দিয়ে খেলে বা কামড়াতে চায় সেগুলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। এছাড়া শিশুর দুই হাতও পরিষ্কার রাখুন, নইলে ব্যাকটেরিয়া জমে শিশুর অসুখ হতে পারে।

* শিশুদের হাতে বাজারের প্লাস্টিকে টিথার না দিয়ে বরং শক্ত সবজি যেমন : গাজর, ফুলকপি ইত্যাদি দিতে পারেন। এতে শিশুর দাঁত মাড়ি ও জিহ্বা পরিষ্কার হবে। তবে খেয়াল রাখবেন এগুলো যেন গলায় আটকে না যায়।

ব্রাশ করা : শিশুর বয়স একবছর হলে কিন্তু ব্রাশ করা জরুরি। দিনে দুইবার বড়দের মতো ব্রাশ করতে হবে। এতে মুখের ভেতরে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ কমে যায়। এতে শিশুর দাঁতও মাড়ি সুস্থ থাকে।

টুথপেস্ট : শিশুরা সামান্য পরিমাণ পেস্ট দিয়ে ব্রাশ করতে পারে, সেটা একবছর বয়সের পর থেকে। তবে শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

দাঁত উঠতে দেরি হলে : শিশুর দাঁত উঠতে দেরি হতে পারে। এই দেরি অস্বাভাবিক হলে, যেমন: এক বছরের কাছাকাছি হয়ে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কারণ অনেক সময় শারীরিক সমস্যার কারণে দাঁত গজাতে দেরি হয়।

খাবার : দুধ দাঁত ওঠার সময় শিশুর খাবারের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। শিশুর খাবারে প্রচুর পরিমাণ ক্যালশিয়াম রাখুন। এছাড়া মায়ের দুধেও শিশুরা ক্যালশিয়াম পায়। এসময় ফলের জুস দেয়া যেতে পারে। শাক-সবজি ও পারিবারিক খাবার দেয়া যেতে পারে।

এছাড়া খাবার শেষে শিশুকে অবশ্যই পানি খাওয়াতে হবে। এতে দাঁত ও মাড়িতে লেগে থাকা খাবারের কণাগুলো পরিষ্কার হবে এবং দাঁতও সুস্থ থাকবে।

RELATED ARTICLES

Most Popular

Recent Comments