গত ২২ তারিখ শাহপরীরদ্বীপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিজস্ব অনলাইন পেইজে অত্র বিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধুর খেলার মাঠ দখল সংক্রান্ত একটি সংবাদ প্রকাশিত হয় । সংবাদে অবৈধ দখলের কিছু ছবি সংযুক্ত করা হয়। সাথে সাথে বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে । গত ২৩ তারিখ টেকনাফ উপজেলার এসিল্যান্ড মহোদয়ের নির্দেশক্রমে একজন তহসিলদার এসে মাঠের সার্বিক অবস্থা ও ২০০৮ সালের এসিল্যান্ড মহোদয়ের সীমানা খুঁটি গুলো দেখে যান। বিষয়টি নিয়ে যখন সর্বমহলে প্রতিবাদের ঝড় উঠে তখন অভিযুক্ত মহিলাটি নিজেকে বাঁচানোর জন্য অনলাইন নিউজ পোর্টাল টেকনাফনিউজ৭১ এ একটি অসত্য, মিথ্যা, বানোয়াট ব্যাখ্যা প্রদান করেন। ব্যাখ্যাটি স্কুল কর্তৃপক্ষের নজরে আসে । বিষয়টি নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ অদ্য আলোচনা করেন এবং অসত্য, মিথ্যা, বানোয়াট ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য অভিযুক্ত মহিলাটি কে ঘৃণা ও নিন্দা জানান। স্কুল কর্তৃপক্ষ মনে করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান ব্যাক্তি। তিনি অত্যন্ত সুন্দর ভাবে পরামর্শক্রমে বিদ্যালয়ের সার্বিক দ্বায়িত্ব পালন করেন । তিনি স্কুলের মাঠ কাউকে ভাড়া দেননি। তিনি ইট বা বাঁশের ব্যাবসার সাথে জড়িত নন। তিনি একজন সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে কোন প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইতে পারেন না । এটি বিধি সম্মত নয়। স্কুল সংস্কারের জন্য তিনি ঔ মহিলা থেকে কখনো কোন প্রকার চাঁদা আদায় করেননি। হয়তবা জাতীয় কোন দিবসে তিনি নূন্যতম চাঁদা দিতে পারে । ঔ মহিলার জীবনে একবার ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নাস্তা দিয়েছিলেন। মানুষ কত নষ্ট হলে কথা গুলো বলতে পারে তা বিবেকবান মানুষ ভালোই বুঝেন। আজকে সময় এসেছে এধরনের মেয়েদের চিহ্নিত করার যারা রাতারাতি শূন্য থেকে শুরু করে অনেক টাকার মালিক হয়েছেন। কী ব্যবসা করে এত টাকার মালিক হয়েছেন ? দ্বীপবাসীকে প্রশ্ন করলে তার সঠিক উত্তর পাওয়া যাবে। এধরনের মিথ্যা অসত্য বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ অনলাইন পোর্টাল টেকনাফনিউজ৭১ কে অনুরোধ জানাচ্ছেন ।
