নিজস্ব প্রতিবেদক : পহেলা অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে সনাতনী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী দুর্গাপুজা। এই দুর্গোৎসবকে ঘিরে সনাতন সম্প্রদায়ের মাঝে আনন্দ ও উৎসাহ বিরাজ করলেও আতংকও কাজ করছে। এ অবস্থায় প্রশাসনের কঠোর নজরদারির মধ্যদিয়ে এবছর চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার মোট ৯১টি মণ্ডপে উদযাপন হচ্ছে শারদীয় উৎসব। ইতোমধ্যে উৎসব ঘিরে মণ্ডপগুলোতে অনুষ্ঠানমালাও শুরু হয়েছে। গতকাল রোববার চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের কয়েকটি পুজো মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফজলুল করিম সাঈদি। এসময় তিনি স্থানীয় পুজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ, মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সনাতন ধর্মালম্বী জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ডুলাহাজারা কেন্দ্রীয় হরি মন্দির কমিটির পক্ষথেকে চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদিকে সংবর্ধিত করা হয়েছে।
আগের দিন চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভার কয়েকটি পুজো মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদি। তিনি সোমবার চকরিয়া পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের ক্ষেত্রপাল মন্দিরে পৌঁছে পুজোর আনুষ্ঠানিকতা পরিদর্শন এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পরিদর্শনকালে উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদি ব্যক্তিগত তহবিল থেকে মণ্ডপ কমিটির হাতে অনুদান হিসেবে নগদ অর্থ সহায়তা বিতরণ করেন।
পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা বাবু পরিমল বড়ুয়া, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক মিজবাউল হক। উপস্থিত ছিলেন পুজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ, মন্দির কমিটির সভাপতি সম্পাদক এবং সুধীজন।
পরিদর্শন শেষে চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদি বলেন, এবছর চকরিয়া উপজেলান ১৮ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এলাকায় ৯১টি মণ্ডপে দুর্গোৎসব পালিত হবে। তদমধ্যে ৪৮টি প্রতিমা পুজা ও ৪৩টি ঘট পুজা।
তিনি বলেন, নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে অনুষ্ঠান উদযাপনের লক্ষ্যে চকরিয়া উপজেলা ও থানা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নেয়া হয়েছে তিন ধরনের নিরাপত্তার প্রস্ততি। প্রতিটি মন্ডপে স্থায়ী ভাবে থাকবে আনসার বাহিনী। এছাড়াও পুলিশ ও বিজিবি টহলের পাশাপাশি প্রতি ইউনিয়নে মোবাইল টিম থাকবে।
চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদি বলেন, চকরিয়া উপজেলায় প্রতিমা ও ঘট পুঁজাসহ মোট ৯১ টি পুঁজা মন্ডপে দূর্গোৎসব পালিত হবে। শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসব সম্পন্ন করতে উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্ততি। পাশাপাশি ইতোমধ্যে উপজেলা পরিষদের পক্ষথেকে প্রতিটি পুজা মণ্ডপের জন্য সরাসরি বরাদ্দ বিতরণ করা হয়েছে। ##
