পিকলু দত্ত : টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের মৃত এজাহার মিয়ার সন্তান ও সদর ইউপির বর্তমান মেম্বার ডা: আবদুল গনির ভাইপো যুবলীগ নেতা আজিজুল হক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান হয়েও নিজে কৃষি কাজে বিভিন্ন সংস্থার প্রশিক্ষনে অংশগ্রহনের মাধ্যেমে নিজের জমিতে নিজেই মরিচ ক্ষেত ও পানের বরজ করেন। টেকনাফ সদর ইউপি ভবনের পার্শ্ববর্তী নিজস্ব খালী জমিতে কোন রকম জড়তা না রেখে নেমে পড়েন মরিচ ক্ষেত করার কাজে যা দেখে এলাকার কৃষক ও গন্যমান্য ব্যাক্তির নজর কাড়েন এবং পরবর্তীতে এলাকার কৃষকরা এসে উৎসাহ ও পরামর্শ প্রদান করেন। এরই মধ্যেই মরিচ গাছ ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে যা নিয়মিত নজর কাড়ে। তার এই কাজে নিয়মিত পরামর্শ প্রদান ও কখন কোন প্রয়োজনীয় সার প্রয়োগ করলে মরিচ গাছের কোন ক্ষতি হবে না তার তদারকি,উৎসাহ প্রদান ও উদ্বুদ্ধ করে যাচ্ছেন সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শফিউল আলম ও সদর ইউপি সচিব সরওয়ার কামাল। মরিচ ক্ষেতে অভাবনীয় মরিচ ধরায় ও নিজের কষ্টের র্স্বাথকতায় এলাকায় সবার ভালবাসার পাত্র হয়ে উঠে যুবলীগ নেতা থেকে আজিজুল হক।
সহজ সরল এলাকার ছোট বড় সবার প্রিয় যুবলীগ নেতা আজিজুল হকের সাথে দেখা হলে কৃষিকাজ কেমন চলছে জানতে চাইলে তারি চিরাচরিত মুখভরা হাসি হেসে বলতে থাকেন, কি আর করা বর্তমান টেকনাফের সার্বিক নানা কথা তুলে ধরে বলেন কোথাও গিয়ে বসার মত জায়গা নেই, যে দিকে যাই না কেন একটা আতংকের মধ্যে থাকতে হয়, জীবনে কখনও মাদক,ইয়াবার সাথে জড়িত ছিলাম না, ভবিষৎতে ও থাকতে চাইনা। একটা সময় এ টেকনাফের মানুষ পানের বরজ, মরিচ ,তরমুজ, শসা উৎপাদন ও বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরে জীবন নির্বাহ করত।
ইয়াবা, ও মানব পাচার শুরু হয়ে টেকনাফের ঐতিহ্য হারাতে হারাতে হারিয়ে যায়, মাটের ফসল ফলানোর চাইতে লাভজনক ইয়াবা ও মানব পাচারে জড়িত হয়ে দিনমজুররে পারিশ্রমিকের চাইতে কয়েকশগুন বেশী আয় ও লাভজনক হয়ে পড়ায় কৃষকের অভাব দেখা দেয় । কৃষক না পেয়ে তা পৈত্রিক অনেক ফসলের জমির চাষ বন্ধ হয়ে পড়ে। যা শুধু তার না পুরো এলাকায় সে প্রভাব পড়ে। যার পরির্বতন ঘটো সে নিজের ক্ষেতে নিজেই কোন রকম জড়তা, লজ্জা না রেখে নিজেই নেমে পড়ি। যাতে সাড়া পাই এলাকার সে পুরোনো কৃষক, যুবক ভাইদের।
মরিচ ক্ষেতে আশাতীত সফলতার পর আজিজুল এবার শুরু করলেন নিজস্ব জমিতে ১০ হাজার গাছের পান বরজ, তাতে ও তার সে কষ্টের অভাবনীয় সৃষ্টি পানের বরজে চারার বেড়ে উঠো দেখে নিজে সন্তোষ্ট ও প্রশংসিত হয়ে তার নিজস্ব ফেইসবুক ওয়ালে ক্ষেতের ছবি দিয়ে লিখেন আলহামদুলিল্লাহ্ নিজের হাতে গড়া পানের বরজ।
আজিজুলের এই কর্মে এলাকায় সবার মুখরোচিত গল্প, যার নেই কোন টাকা পয়সার অভাব, যুব সমাজর প্রিয় মুখ হওয়াতে অনেক যুবক ইতিমধ্যে তার অনুপ্রেরনায় কৃষিকাজে নিয়োজিত হচ্ছে যাতে টেকনাফের দুর্ণাম মুছে সে পুরনো ঐতিহ্য পান সুপারী, তরমুজ ও শসার সাগরে মাছ ধরা জেলেদের টেকনাফে রুপা্ন্তরিত হবে সে আশা সবাই এগিয়ে আসার মাধ্যমে সফল হবে।
