মায়ানমার সীমান্তে জান্তা-আরকান আর্মির মধ্যে গৃহযুদ্ধ ; টেকনাফ সীমান্তে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশরোধ ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নজরদারি এবং টহল জোরদার

লেখক: হুমায়ুন রশিদ
প্রকাশ: ২ years ago

হুমায়ূন রশিদ : প্রতিবেশী দেশ মায়ানমারে টেকনাফ সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় জান্তা সরকার বাহিনী ও আরকান আর্মির মধ্যে অব্যাহত গৃহযুদ্ধে সংঘাত এবং চলমান গোলাগুলির বিকট শব্দে বাংলাদেশের স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে কোস্টগার্ড রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশরোধ ও সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নজরদারি এবং টহল জোরদার করা হয়েছে।

বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ-পূর্ব জোনের টেকনাফ বিসিজি ষ্টেশন কমান্ডার লেঃ কমান্ডার লুৎফুল লাহিল মাজিদ জানান,৩১ জানুয়ারী (বুধবার) ভোররাত থেকে সেন্টমার্টিন হতে ঊলুবনিয়া সীমান্ত পর্যন্ত মায়ানমারের ওপারে সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় প্রচন্ড গোলাগুলি,গ্রেনেড ও বোম্পিংয়ের বিকট শব্দে বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। পার্শ্ববর্তী দেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতায় বাংলাদেশের উপকূলবর্তী সীমানায় যাতে বিরূপ প্রভাব না পড়ে সেজন্য সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। মায়ানমারের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে মানব পাচার, চোরাচালান, মাদক অনুপ্রবেশসহ নতুনভাবে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশরোধে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে কোস্ট গার্ড। এই প্রেক্ষিতে নাফনদী ও সমুদ্রে সার্বক্ষণিক টহল জাহাজ মোতায়েনসহ টেকনাফ হতে শাহপরীরদ্বীপ পর্যন্ত দিন-রাত নিয়মিত অত্যাধুনিক হাইস্পীড বোটের মাধ্যমে টহল পরিচালনা করছে। এছাড়াও টেকনাফ, শাহপরী, বাহারছড়া ও সেন্টমার্টিনে বর্তমানে অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যেকোন ধরনের অনাকাংখিত পরিস্থিতি মোকাবেলা এবং দেশের মানুষের জান মালের নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদা প্রস্তুত রয়েছে। ###