হুমায়ূন রশিদ : ১৯৭১সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক,হ্নীলা ইউপির ৩বারের সাবেক চেয়ারম্যান,সাবেক সাংসদ এবং টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের আমরণ সভাপতি আলহাজ্ব অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী হ্নীলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে খতমে কোরআন,দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার মাধ্যমে পালিত হয়েছে।

১৩নভেম্বর (সোমবার) বিকাল ৩টায় হ্নীলা দরগাহ নাফ ফিলিং ষ্টেশনস্থ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক,হ্নীলা ইউপির ৩বারের সাবেক চেয়ারম্যান, উখিয়া-টেকনাফের সাবেক সাংসদ ও টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের আমরণ সভাপতি আলহাজ্ব অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর ৩য় মৃত্যু বার্ষিকীর ইছালে সওয়াব উপলক্ষ্যে খতমে কোরআনের আয়োজন করা হয়। এরপর এক আলোচনা সভা হ্নীলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রাশেদ মাহমুদ আলী চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম মেম্বারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

মরহুম অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর রাজনৈতিক, সামাজিক, জনপ্রতিনিধি ও ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন মরহুম অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর ঘনিষ্ঠ সহচর, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতা রশিদ আহমদ, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা মাষ্টার খলিলুর রহমান, হ্নীলা ইউপির ৩নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার ছালেহ আহমদ, মরহুমের কনিষ্টপুত্র ও সাবেক জেলা ছাত্রলীগ নেতা তারেক মাহমুদ রণী, হ্নীলা ইউপির ১নং ওয়ার্ড মেম্বার বশির আহমদ, উপজেলা ওলামা লীগ নেতা ক্বারী ফরিদুল আলম, মৌলানা ফেরদৌস আহমদ, হ্নীলা ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউল করিম, ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহ আলম নুরী, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মৌলানা গোলাম মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন, ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর কাশেম, ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আলম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোছাইন, ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছৈয়দ আলম কালু, আওয়ামী লীগ নেতা তাসনিম মাহমুদ, মৌঃ মোহাম্মদ হোছাইন, মিশকাত উদ্দিন প্রমুখ। এছাড়া আওয়ামী লীগ নেতা রহমত আলী, ঠান্ডা মিয়া, বশির আহমদ, নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আমিন কালু, মৌলভী ইলিয়াছ, ফরিদুল আলম, জুয়েল, মোরশেল শাহ, এনএম মামুন, মহিউদ্দিনসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এতে বক্তারা বলেন, মরহুম আলহাজ্ব অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী ইউপি চেয়ারম্যান থাকাকালে দৃঢ় চেতা ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অসহায়-দরিদ্র মানুষের অধিকার আদায় করে সকলের অন্তরে অমর হয়ে রয়েছেন। কোন অনিয়ম-দূর্নীতির সাথে আপোষ করেনি বলে তিনি আপোষহীন নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দক্ষিণ চট্টগ্রামের একমাত্র সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হয়ে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন সাধনে ব্যাপক প্রকল্পের প্রস্তাবনা করেন। যা ধীরে ধীরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার উদ্বোধন করে পুরো জেলাবাসীর মধ্যে ব্যাপক কৌতুহলের সৃষ্টি করেছে। তিনি লোভ-লালসার উর্ধ্বে উঠে সততার পথে অবিচল থাকতেন বলে আজ সর্বস্তরের জনসাধারণ শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছে। এই মহান নেতার আদর্শ বুকে ধারণ করে আমরা সবাইকে এগিয়ে যাওয়ার আহবান জানান।

সভা শেষে প্রয়াত এই রাজনৈতিক ব্যক্তি ও সাবেক জননেতার বিদেহী আত্নার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন ক্বারী মাওলানা ফরিদুল আলম। এরপর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির নেতৃত্বে একটি দল মরহুমের কবরে পুষ্পমাল্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর উপস্থিত সকলে মরহুমের কবর জিয়ারতে অংশ নেন। ####
