এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া : চকরিয়া উপজেলার উপকুলীয় জনপদের ইউনিয়ন বদরখালী কলোনীজেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে শনিবার বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম। তিনি এদিন চকরিয়া-পেকুয়া উপজেলায় সরকারি অর্থায়নে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি যাদুঘর নির্মাণ সরকারি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অন্তত ৬টি
বদরখালী কলোনীজেশন উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও বদরখালী সমিতির সাবেক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খাইরুশ বশর, সাবেক চেয়ারম্যান নুরে হোছাইন আরিফ, বদরখালী সমিতির সভাপতি হাজি নুরুল আলম সিকদার।
বদরখালী কলোনীজেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাস্টার গিয়াস উদ্দিন বাবুলের সঞ্চালনায় স্বাগত প্রধান শিক্ষক রুহুল কাদের। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা নুরে হাবিব তছলিম, শাহাব উদ্দিন শাকিল, জয়নাল আবেদিন (বড়), বদরখালী মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল বশর, মৌলভী ইউছুপ হোসেন, উবিনীগের সমন্বয়ক জয়নাল আবেদিন খাঁন, বদরখালী ইউনিয়ন জাতীয় পাটির সভাপতি শওকত আলী চৌধুরী, হাবিবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাস্টার সিরাজুল করিম, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মাস্টার আবুল হাশেম, মাস্টার রশিদ আহমদ এমএ, ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার কুতুবউদ্দিন, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ইউনুছ ছিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক ও বদরখালী সমিতির পরিচালক হাজী হামিদ উল্লাহ, যুবনেতা ভুট্টো সিকদার, বিদ্যালয় কমিটির সদস্য মহিউদ্দিন, মাস্টার মকবুল হোসেন, নাছির উদ্দিন, ফরিদ উদ্দিন প্রমুখ
অনুষ্ঠানের শুরুতে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক মাস্টার আনোয়ারুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সকল সদস্য, সকল শিক্ষক, শিক্ষিকা, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে আলহাজ জাফর আলম এমপি বলেছেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশের নতুন প্রজন্মের জন্য মেধানির্ভর শিক্ষার সম্ভাবনার দ্বার উম্মোচন করেছে। তাঁর সদিচ্ছার কারনে আজ শিক্ষার্থীরা বিনা বেতনে লেখাপড়া সুযোগ পাচ্ছে। শিক্ষার সুষ্ট পরিবেশ নিশ্চিতে সরকার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দে অবকাঠামোগত উন্নয়নে সব ধরণের কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করছেন। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশকে নিরক্ষতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করা। সেইলক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছেন। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে শিক্ষার মান্নোয়নে জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে বছরের প্রথমদিন শিক্ষার্থীরা নতুন পাঠ্যবই পাচ্ছে। লেখাপড়া করতে সব ধরণের উপবৃত্তি সুবিধা পাচ্ছে। মেধাবীদের সরকারি চাকুরী নিশ্চিত করা হচ্ছে। দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চালু করা হয়েছে মিড ডে মিল প্রকল্পসহ নানা ধরণের প্রনোদনা প্রকল্প। যাতে শিক্ষার্থীরা এসব সুবিধা নিয়ে সুন্দর পরিবেশে লেখাপড়া করতে পারে। নিজেকে আগামীর জন্য দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে তৈরী করতে পারে।
জাফর আলম এমপি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মান্নোয়ন নিশ্চিতকল্পে আগামী পাঁচবছরে টেকসই উন্নয়নে চকরিয়া-পেকুয়া উপজেলার সবশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাজানো হবে। সবাইকে মনে রাখতে হবে লেখাপড়ার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদেরকে সুনাগরিক হিসেবে তৈরী করতে হবে। আজকের নতুন প্রজন্ম হবে আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর। তাই সেইভাবে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের তৈরী করতে সবাইকে সচেতনভাবে কাজ করতে হবে। আশাকরি শিক্ষার্থীরা যাতে কোন ভাবে বিপদগামী না হয় সেদিকে অভিভাবক ও শিক্ষক মন্ডলীকে সজাগ ভুমিকা পালন করতে হবে। #
