Monday, January 17, 2022
Homeটপ নিউজবঙ্গোপসাগরে জলদস্যুদের উৎপাতে টেকনাফ উপকূলের জেলেরা ; নিরাপত্তা জোরদারের দাবী

বঙ্গোপসাগরে জলদস্যুদের উৎপাতে টেকনাফ উপকূলের জেলেরা ; নিরাপত্তা জোরদারের দাবী

আজিজ উল্লাহ : টেকনাফের বাহারছড়া উপকূলীয় এলাকার সাগর নির্ভর মৎস্যজীবি জেলেরা জলদস্যুদের উৎপাতে নিরুপায় হয়ে পড়েছে। তাই এদের কঠোর হাতে দমন করে জেলেদের নিরাপত্তা জোরদারের দাবী উঠেছে।

১২জানুয়ারী ভোররাত ৩টারদিকে টেকনাফের উপকূলীয় বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর ,ৎম্যঘাট থেকে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে স্বশস্ত্র জলদস্যুদের হামলায় ৬জন জেলে আহত, মাছ লুট এবং ট্রলার ডুবিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
এই ঘটনার ৩দিন আগে ইলিশ ধরার জন্য বাহারছড়া শামলাপুর মৎস্য ঘাট থেকে স্থানীয় মৃত মনির উদ্দিনের ছেলে সেলিম উল্লাহ’র ট্রলার ৬জন জেলে নিয়ে মাছ ধরার সাগরে যায়।
শামলাপুর উপকূলীয় মৎস্য সমিতি সূত্রে জানা যায়, বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারের জন্য সেলিম উল্লাহ’র মালিকানাধীন নৌকা ৬জন জেলে নিয়ে ইলিশের সন্ধানে ৩দিন সাগরে অবস্থান করছিল হঠাৎ একদল জলদস্যু নৌকাটিতে আক্রমণ চালায়।এতে প্রায় ২লক্ষাধিক টাকার মাছ,জাল ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী লুট করে নেয়।পরে দস্যুরা পিঠিয়ে আক্রান্ত জেলেদের রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয় অপর একটি নৌকায় তুলে দিলে কোন রকম প্রান নিয়ে ফিরে আসে।এতে নৌকার মাঝি জাহেদ হোসাইন,জেলে সদস্য শামসুল আলম, আবদুল গনি,মোঃ আইয়ুবসহ ৬জন আহত হয়।আহতদের শামলাপুর বেসরকারি এনজিওর হাসপাতাল মোয়াসে চিকিৎসা করা হয়েছে।
নৌকার মালিক সেলিম উল্লাহ বলেন,” জলদস্যুরা আমার নৌকা গভীর সাগরে ডুবিয়ে দিয়েছে।জাল,মাছ এবং নৌকার বিভিন্ন সরাঞ্জামাদিসহ প্রায়৬ লাখ টাকার অধিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি আরো বলেন, সাগরে মাছ ধরে আমাদের সংসার চলে।এভাবে জলদস্যুর হামলার শিকার হলে সাগর থেকে উঠে আসতে হবে।তাই কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সহায়তা দরকার”।
উল্লেখ, কয়েকদিন আগে শামলাপুর মোজাহের মিয়ার পুত্র ফরিদ উল্লাহ’র মাছ ধারর ট্রলারটিও গভীর সাগরে ডুবিয়ে দিয়েছিল জলদস্যুরা। তাই বঙ্গোপসাগরে গভীর রাতে সক্রিয় থাকা জলদস্যুদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে মাছ শিকারী জেলেদের নিরাপত্তা জোরদারের জন্য কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর বিশেষ টহল জোরদার করার আহবান জানানো হয়েছে।

RELATED ARTICLES

Most Popular

Recent Comments