প্রকাশিত সংবাদের একাংশের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ২ years ago

গত ২৯ এপ্রিল” আমাদের কক্সবাজার “প্রকাশিত মিয়ানমারে অকটেন সহ পণ্য পাচারের নেতৃত্বে রাসেল জসিম”শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোছর হয়ে জানতে পারি যে, প্রকাশিত সংবাদের একাংশের সংবাদটি আদৌ সত্যের লেশমাত্র নেই। যা মিথ্যা,কাল্পনিক,উদ্দেশ্য প্রনোদিত রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিহিংসা পরায়ন মাত্র। সংবাদের একাংশে আমার নাম উল্লেখ করে প্রকৃত ঘটনাকে আডাল করে উধুর পিন্ডি বুধোরগাড়ে ছাপানো হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদটি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ এবং অভিযুক্তদের বক্তব্য ছাড়াই একপেশী সংবাদ প্রকাশিত  হওয়ায় এর কোন ভিক্তি এবং গ্রহণ যোগ্যতা নেই। যা বস্তু নিষ্ঠ সংবাদ পরিপন্থী ও তথ্য সন্ত্রাস হিসাবে বিবেচিত। এ বিষয়ে আমার বক্তব্য ও ব্যাখ্যা হলো মিয়ানমার রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা ও দমন নীপিডনের প্রেক্ষিতে রাখাইন রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হলে খাদ্য ও জালানির সংকট পড়ে। এ চলমান অবস্থায় এর ঘাটতি পূরণে দেশের সর্ব দক্ষিণ সীমান্ত টেকনাফের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় টেকনাফ সহ  বিভিন্ন পয়েন্ট সাগর উপকূল দিয়ে ফিসিংবোট যোগে মিয়ানমারে খাদ্য সামগ্রী ও জালানি পাচারে ধুম পড়ে যায়।সাগর উপকূলীয় এলাকা আলোচিত পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমারে খাদ্য সামগ্রী পাচারকালে আইন শৃংখলা বাহিনীর অভিযান উদ্ধারে নামে। পাচার  এবং সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের চোরাচালান বিরোধী অভিযান কে পুঁজি করে স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তি উপকূলে চাঁদাবাজী,দলালী,চোরাকারবারিদের সাথে নেপথ্যে সখ্যতা বজায় রেখে প্রকৃত ব্যবসায়াদের উপর চলে হয়রানি ও ধমননীপিড়ন মাত্রা এতে পাচারকারীদের আডাল করে শাক দিয়ে মাছ ডাকা হয়েছে। আমি মাদক ও খাদ্য সামগ্রী পাচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করে আসছি।যা ওদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। যার ফলোশ্রতিতে ওরা গোলাও পানিতে মাছ শিকার করে আসছে। এলাকায় জনশ্রুতি রয়েছে যে, পেশার পরিচয়ে আড়ালে চলে ওদের অপকর্ম। বাহারছড়া শীলখালী বৈধ ব্যবসায়ী ও খুচরা ব্যাবসায়ীরা চাঁদাবাজ এ দুজন কথিত ব্যক্তির কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে।ওদের আরোপিত চাঁদা,দিতে ব্যবসায়ীরা অপারগতা প্রকাশ করলে ওরা নানা ধরনের হুমকি এবং আইন শৃংখলা বাহিনীর নাম ভাংগিয়ে এর ব্যবস্থা নিবে। তারই আক্রোশের জের ধরে ২৩ এপ্রিল দুপুরে বাহারছড়া ইউনিয়নের শীলখালী সড়ক পথে নিত্যপ্রয়োজনী খাদ্য সামগ্রী টমটম গাড়ি যোগে দোকানে আনার পথ ঐ কথিত আজিজ ও জুবায়ের ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে বসে। চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে মালামাল বুঝাই গাড়িটি চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ওরা ক্ষিপ্ত হয়ে ইটপাটকেল ছুঁড়ে। এতে গাড়ির আয়না সহ ভেঙে যায়। পরে সচেতন জনতা বিষয়টি দেখে ওদের ধাওয়া করলে ওরা পালিয়ে যায়। পরে ওদের মোটর সাইকেল গাড়িটি ফেলে পালিয়ে গেলে জনতা জব্দ করে রাখে। এদিকে চট্টগ্রাম লোহাগড়া আমতলী বড়হাতিয়া ইউনিয়ন নিবাসী টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ব্যবসায়ী ২৫ এপ্রিল  চট্টগ্রাম থেকে মালামাল পরিবহন গাড়ী বুঝাই করে ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম বাহারছড়া শামলাপুর ঢালায় আসার পথে  গাড়িটি বিকল হয়ে পড়ে। নিরাপত্তা জনিত কারণে ৯৯৯ নং যোগাযোগ করলে শামলাপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ আসে এবং গাড়িটি সচল করে শীলখালী সড়ক পথে আসলে চাঁদাবাজ উল্লেখিত ব্যক্তিরা চাঁদা দাবি করে। তাদের অত্যচারে অতিষ্ঠ এবং হয়রানির অভিযোগ এনে ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম নিজে বাদী হয়ে আজিজ ও জুবায়ের প্রকাশ জুয়েল কে অভিযুক্ত করে টেকনাফ মডেল থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ করতে বাধ্য হয়েছি।  আমি উক্ত প্রকাশিত আংশিক সংবাদের তীব্র জানাচ্ছি। ভবিষ্যতে এধরণের মানহানিকর সংবাদ প্রকাশিত হলে আমি আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য থাকিব।

প্রতিবাদকারী

জসীম উদ্দীন

মাড়িশবনিয়া

বাহারছড়া ইউনিয়ন, টেকনাফ, কক্সবাজার