Monday, January 17, 2022
Homeটেকনাফটেকনাফ বাহারছড়ায় জমি বিক্রেতা পঙ্গু ও পাগল দুই ভাই প্রতারণার শিকার শীর্ষক...

টেকনাফ বাহারছড়ায় জমি বিক্রেতা পঙ্গু ও পাগল দুই ভাই প্রতারণার শিকার শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ

গত ২২ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজকের কক্সবাজারসহ বিভিন্ন অনলাইনে প্রকাশিত “টেকনাফ বাহারছড়ায় জমি বিক্রেতা পঙ্গু ও পাগল দুই ভাই প্রতারণার শিকার” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্নরুপে মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্যমূলক ও একটি ভূমিদস্যূ চক্রের চক্রান্তের অংশবিশেষ।
একটি ভূমিদস্যূ চক্র ৬ বছর আগে আমার ক্রয়কৃত ও যথাযথ মূল্য পরিশোধ সাপেক্ষে রেজিষ্ট্রি ও নামজারী সম্পাদিত এবং ভোগদখলীয় জমির কিছু অংশ গ্রাস করার কুমতলবে সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করিয়েছেন।
বস্তুত পক্ষে ২০১০ সালে নোয়াখালী এলাকার বদরুজ মিয়ার দুই ছেলে ইউনুচ ও হাফেজ মোহাম্মদ আমিনের কাছ থেকে টেকনাফ বড়ডেইল মৌজার ৪০ শতক জমি দুই লক্ষ ৩৪ হাজার টাকায় ক্রয় করি। যার দলিল নং-৭৬। পরবর্তীতে উক্ত জমির নামজারী সম্পাদন করি। যার সৃজিত খতিয়ান নং ১১৮০।
জমি ক্রয়ের কিছুদিন পর এলাকার প্রভাবশালী ভূমিদস্যূ চক্রের খপ্পরে পড়ে জমি বিক্রেতারা
আমার দখলে ৪০ শতকের বেশী জমি দখলে রয়েছে বলে তৎকালীন স্থানীয় ইউপি মেম্বার ফজলুল করিমের কাছে নালিশ দিলে তিনি যাছাই করে সালিশী রোয়েদাদ প্রকাশ করেন। যাতে তিনি স্পষ্ট উল্লেখ করেন দুই ভাইয়ের বিক্রিত ৪০ শতকের অতিরিক্ত জমি আমার দখলে নেই।
এর পর থেকে আমার নিস্কন্টক জমি খানা জবর দখলে নিতে নোয়াখালী এলাকার বর্তমান মেম্বার ইলিয়াছ ও ইলিয়াছ কোবরার নেতৃত্বে ভূমিদস্যূ চক্র বিভিন্ন ভাবে চক্রান্ত অব্যাহত রাখে।
তারই ধারাবাহিকতায় কিছুদিন পূর্বে আমার দখলীয় ও ক্রয়কৃত জমি বিক্রেতা দুই ভাইকে সামনে দিয়ে জবর দখলের পায়তারা করলে আমি টেকনাফ থানায় সাধারন ডাইরী লিপিবদ্ধ করি। যার নং-১১৯০। টেকনাফ থানার উপপরিদর্শক শাফায়েত আহম্মদ উক্ত ঘটনার সত্যতা পেয়ে উক্ত চক্রের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করে।
সর্বশেষ কোনভাবেই তারা আমার জমি জবর দখল করতে না পেরে ১০ লাখ টাকা প্রতারনার মিথ্যা অভিযোগ এনে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে। যা সম্পূর্ন মিথ্যা কল্পকাহিনী ছাড়া আর কিছুই নই।

আর সংবাদে পাগল হিসাবে যাকে উল্লেখ করা হয়েছে বাহারছড়া নোয়াখালী এলাকার মৃত বদরুজ মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ যার পুরো নাম হাফেজ মোহাম্মদ আমিন। তিনি বর্তমানে নোয়াখালী বায়তুর রহমান জামে মসজিদের মোয়াজ্জেন ও খন্ডখালীন ইমাম হিসাবে কর্মরত রয়েছেন। আমার প্রশ্ন যদি তিনি পাগল হন তাহলে মসজিদে চাকুরী করছেন কিভাবে আর নামাজ পড়াচ্ছেন কিভাবে। এছাড়া তার অপর ভাই ইউনুচকে মাদকাসক্ত করে ভূমিদস্যূ চক্রটি ফায়দা হাসিলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

বর্তমানে আমি বাহারছড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক ও ৯ নং ওয়ার্ডের ৩ বারের সভাপতির দায়িত্ব পালন করি। ভূমিদস্যূ চক্র জমি হাতিয়ে নেওয়া ছাড়াও মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে আমার সামাজিক সম্মানহানির অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।

কাজেই আমি উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাছাই বাছাই করে সংবাদ পরিবেশনে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্ববান হওয়ার জন্য বিনীত আবেদন জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী
মোঃ হোছন
নোয়াখালী পাড়া, বাহারছড়া ইউনিয়ন, টেকনাফ।

RELATED ARTICLES

Most Popular

Recent Comments