বিশেষ প্রতিবেদক : টেকনাফের বাহারছড়া উত্তর শিলখালী আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সবুজ মন জুড়ানো পানের বরজ ধ্বংস করে, সুপারি গাছসহ বিভিন্ন গাছপালা কেটে ফেলে ভুক্তভোগীদের কুপিয়ে রক্তাক্ত করে গরীব অসহায় মানুষের সম্পত্তি জোরপূর্বক অবৈধভাবে দখলে নিয়েছে মোজাহের ইসলাম গং।এসময় প্রতিপক্ষ এবারের দাখিল পরিক্ষার্থী এক তরুণীকে ধারালো দায়ের কোপে মাথা রক্তাক্ত করেছে। এছাড়া আরো ৪জন যুবককে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। এসব অভিযোগ একই এলাকার মৃত আহমেদ কবিরের পুত্র মোজাহেরুল ইসলাম গংয়ের বিরুদ্ধে।
এদিকে উক্ত বিরোধীয় জমির বিরুদ্ধে কক্সবাজার এডিএম কোর্টে এমআর মামলা নং ৭৯১/২২ ইং তারিখে ১৪৪ ধারার ফৌজদারী কার্যবিধি আইনে মামলা রয়েছে।

গত সোমবার(২০ জুন) রাতের আধারেঁ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করার ঘটনায় জড়িত ১১জন অপরাধীদের বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় ফৌজদারি অপরাধের দায়ে জমির মালিক মোস্তাক মিয়া বাদি হয়ে ৩০৭,৩২৬ ও ৩২৫ ধারাসহ বেশ কয়েকটি ধারায় মামলা দায়ের করেন। অপরাধীরা এই ঘটনায় আরো মেরে ফেলাসহ বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ করেন মোস্তাক মিয়া।
উল্লেখ্য, টেকনাফর বাহারছড়া শিলখালী মৌজার বিএস ৮৭৮ নং খতিয়ানের বিএস ৩৬০২ দাগের ৫০ শতক জমি নিয়ে ৪০২৯ নং খতিয়ান মোস্তাক মিয়ার নামে সৃজন করা হয়েছে। সম্প্রতি ওই সম্পত্তির রেকর্ডীয় ও দখলীয় জমির দাবিদার মোস্তাক মিয়া কক্সবাজার জেলা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে নালিশী সম্পত্তি নিয়ে একটি মোকদ্দমা করলে গত ৫/৬/২২ ইংরেজি তারিখে আদালত ওই সম্পত্তিতে কোনো প্রকার স্থাপনা নির্মাণ, আকার আকৃতি পরিবর্তন না করা, ঘেরা বেড়া না দেয়া ও মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উভয়পক্ষের মধ্যে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার জন্য টেকনাফ থানা ওসিকে নির্দেশ প্রদান করেন। এরপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখল করে ঘর নির্মাণ, সুপারি গাছ রোপণ করেছে বিরোধীয় পক্ষ। যা আইন আদালতকে বৃদ্ধ আঙুল দেখানোর দুঃসাহস ছাড়া কিছুই না।
এদিকে মামলার তদন্ত অফিসার শফিউল আলম বলেন ,”উক্ত মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে ।”
