Monday, January 17, 2022
Homeপর্যটনটেকনাফ পৌরসভার সীমান্ত জেটি পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে

টেকনাফ পৌরসভার সীমান্ত জেটি পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে

জিয়াবুল হক, টেকনাফ |
দেশের সর্ব দক্ষিণে উপজেলা টেকনাফের পৌরসভার লামার বাজার এলাকার ট্রানজিট জেটি। টেকনাফ-মায়ানমার সীমান্তের কূল ঘেঁষা অপার সম্ভাবনার জনপদ জেটিতে বসে নিজেকে উজাড় করে দিয়ে প্রকৃতির খুব কাছাকাছি থেকে এক খণ্ড সময় কাটায় প্রকৃতি প্রেমিকরা। তাদের হৃদয় ও মন ছুঁয়ে যায় নৈসর্গিক এ স্থানটির রূপ-লাবণ্যে। মেঘাচ্ছন্ন দিনে জেটিতে আরো বেশী দৃষ্টিনন্দন ও অপরূপ হয়ে উঠে। এই জেটিকে সৌন্দর্য্যতা ভ্রমণ পিপাসু যে কাউকেই মুগ্ধ করবে অনায়াশে। টেকনাফের পৌরসভার অন্যতম এলাকা লামার বাজার নাফনদীর কেওড়া বাগান মায়ানমার সীমান্ত জেটি। এই জেটি থেকে উচু-নিচু পাহাড়, নেটং পাহাড়, জল্যার দ্বীপের অপূর্ব দৃশ্য দেখে বিস্ময়ে বিমুঢ় হয়ে পড়বে যে কোন আগন্তুক। নাগরিক জীবনের সকল ক্লান্তির অবসানে চলে আসুন সীমান্ত জেটিতে। এখানকার প্রকৃতি ক্ষণে ক্ষণে রং বদলায়। জেটিতে উঠেই আকাশপানে তাকালে মনে হয় কালো মেঘগুলোকে যেন সরিয়ে দিয়ে সাদা মেঘের আনা গোনা শুরু হয়েছে। কেওড়া বাগান ও নাফনদীর সৌন্দর্য্য প্রাকৃতিতে বসে চাঁদনী রাতের দৃশ্যপট এনে দেয় ভিন্ন মাত্রা। জেটির আবহাওয়া ও সৌন্দর্য, রাতের আকাশে চন্দ্র-তারা ও দিনের আলোয় লাল সূর্য মিলেমিশে একাকার। এ দৃশ্য নিমিষেই সবার মনকে উদাস করে তোলে। এখনো জেটির পুর্ণ নির্মান শেষ হতে না হতে দেশী-বিদেশী পর্যটকের আগমন ঘটছে। কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রেইভ সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হওয়ার পর থেকে টেকনাফের পর্যটন এলাকা গুলো সৌন্দর্য্য অবলোকনে প্রতিদিন প্রচুর পর্যটক ভীড় জমাচ্ছে।
কক্সবাজার থেকে টেকনাফ শহরে আসার পথিমধ্যে চোখে পড়বে ঢেউ খেলানো অসংখ্য উঁচু-নিচু ঢেউ তোলা সবুজ পাহাড়। পাহাড়ের বুক চিরে আপন মনে বয়ে চলেছে কুদুনগুহা, নাফনদী কেওড়া বাগান, নেটং পাহাড়, জল্ল্যার দ্বীপসহ নাম না জানা অসংখ্য আকৃষনীয় স্থান। বিচিত্রময় জীবন ধারাসহ আরো কত কি! টেকনাফ পৌর শহরের জেটিতে প্রবেশের সাথে সাথে আপনার চারপাশ যেন মুর্হুতে পরিবর্তন হয়ে যাবে। এছাড়া জেটিতে যাওয়ার আগে স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব আবদুর রহমান বদির আকৃষনীয় কটেজ, ২ বিজিবি সদর বিওপির পশ্চিমে ট্রানজিট জেটি।
ঢাকা থেকে আসা পর্যটকরা জানান, পর্যটকদের জন্য বাংলাদেশ-মায়ানমার ট্রানজিট জেটি একটি সম্ভাবনাময় ¯পট। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যকে কাজে লাগাতে পারলে জেটি হতে পারে দেশের পর্যটন শিল্পের মধ্যে অন্যতম। সেই সাথে পাল্টে যাবে দেশের অর্থনৈতিক চেহারা।
স্থানীয়রা জানান, মাননীয় সাংসদ আলহাজ্ব আবদুর রহমান বদির উদ্যোগে সীমান্ত জেটি পর্যন্ত রাস্তা হওয়ার কথা রয়েছে, রাস্তাটি হলে টেকনাফ পৌরসভার চিত্র পাল্টে যাবে। তবে জেটির নির্মান শেষ হলে মানুষের জীবন ও জীবিকার ভাল অবস্থানে চলে যাবে।
প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ভ্রমণ পিপাসুরা ছুটে আসছে মায়াভরা জেটির সৌন্দর্য্য অবলোকনে।

RELATED ARTICLES

Most Popular

Recent Comments